Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
অবশেষে কাটল দীর্ঘ দু’দশকের ‘লজ্জা’! শনিসন্ধ্যায় কলকাতার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র রবীন্দ্রসদনে বিখ্যাত লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে উষ্ণ অভ্যর্থনায় স্বাগত জানালেন শহরবাসী। আর সেই মুহূর্তটি আরও বেশি বিশেষ হয়ে উঠল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জোরালো ও মুক্ত ভাষণে।
নিরাপত্তার দায়িত্ব নিলেন শুভেন্দু(Taslima Kolkata)
লেখিকার উদ্দেশে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের স্পষ্ট বার্তা সুরক্ষিত পশ্চিমবঙ্গে আপনাকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীরই।
সেকুলার মিশনের উদ্যোগে তসলিমা নাসরিনের কলকাতায় এই ‘ফেরা’ যে এক বিশাল উদযাপন, তা বলাই বাহুল্য। শনিবার বিকেলে রবীন্দ্রসদনে সেই উদযাপনের অপেক্ষায় ছিল গোটা সাংস্কৃতিক মহল।
তসলিমাকে ঘিরে এদিন নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নজর কাড়ে সবার। সন্ধ্যা নাগাদ লেখিকা মঞ্চে পা রাখতেই স্পষ্ট বোঝা গেল, দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে তিলোত্তমার আকাশে কতটা মেঘ জমেছিল। তবে এরই মাঝে কবি জয় গোস্বামীকে মঞ্চে ডাকলেন তসলিমা। মুখ্যমন্ত্রীর উদারতাকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তসলিমা বলেন, ভয় চিরস্থায়ী নয়, তা প্রমাণিত।
আরও পড়ুন: Nirmal Purja: পর্বতারোহণের আকাশে ট্র্যাজেডি: শেষ নিঃশ্বাসেও পর্বতই সঙ্গী নির্মল পূর্জার
দিনের মঞ্চ থেকে বামেদের তীব্র আক্রমণ শানান লেখিকা তসলিমা নাসরিন । বললেন শুধু নিজেদের জন্যই বাঁক স্বাধীনতার কথা বলে থাকেন বামেরা(Taslima Kolkata)।
মঞ্চে লেখিকাকে আন্তরিক স্বাগত জানানোর পাশাপাশি দেওয়া হয় জমকালো নাগরিক সংবর্ধনা। সাহিত্যসম্রাট ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি সুন্দর ছবি তুলে দেওয়া হয় তাঁর হাতে(Taslima Kolkata)। এরপরেই ‘দ্বিখণ্ডিত’র স্রষ্টার অবয়ব খোদাই করা একটি বিশেষ রুপোর মেডেল নাগরিকদের তরফে উপহার হিসেবে তসলিমা নাসরিনের হাতে তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।



