Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সিধু মান্ডি : বাঁকুড়া: বাঁকুড়া জেলার তালডাংরা বিধানসভার অন্তর্গত তালডাংরা ব্লকের কলি গ্রামের বাসিন্দারা আজও নিত্যদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়েই যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন (Bankura)। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া জয়পণ্ডা নদী বর্ষার সময় ফুলেফেঁপে ওঠে। নদীর জলস্তর বাড়লেই দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। অথচ এই নদী পার হলেই মাত্র চার কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে বিভরদা হাইস্কুল, হাসপাতাল, বাজার এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবা। ফলে বাধ্য হয়েই গ্রামের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার করেন।

দুর্ভোগের কারণ (Bankura)
সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছে স্কুলপড়ুয়া পড়ুয়ারা। প্রতিদিন নদী পার হয়ে তাদের বিভরদা হাইস্কুলে যেতে হয়। বর্ষার সময় নদীতে স্রোত বেড়ে গেলে সেই যাতায়াত আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। শুধু ছাত্রছাত্রীরাই নন, গ্রামের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লেও তাঁকে চিকিৎসার জন্য একইভাবে ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হতে হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিকল্প একটি রাস্তা থাকলেও তার অবস্থা অত্যন্ত বেহাল। সেই রাস্তা ব্যবহার করতে গেলে প্রায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার ঘুরপথে যেতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ ও দুর্ভোগের কারণ।
শিকার এলাকাবাসী (Bankura)
দীর্ঘদিন ধরেই জয়পণ্ডা নদীর উপর একটি স্থায়ী পারাপারের ব্যবস্থা বা সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের অভিযোগ, আগের সরকারের আমলেও একাধিকবার আবেদন করা হলেও সমস্যার কোনও স্থায়ী সমাধান হয়নি। ফলে বছরের পর বছর একই দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।

জীবন ঝুঁকিমুক্ত হবে (Bankura)
বর্তমানে রাজ্যের নতুন সরকারের কাছেও একই দাবি জানিয়েছেন কলি গ্রামের মানুষ। তাঁদের বক্তব্য, জয়পণ্ডা নদীর উপর একটি সেতু বা নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা করে দেওয়া হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পরিষেবার সঙ্গে যোগাযোগ অনেক সহজ হবে এবং বহু মানুষের জীবন ঝুঁকিমুক্ত হবে।
আরও পড়ুন: Bengali Film: মাটির ঘোড়ায় কি সত্যিই প্রাণ দিতে পারবে বিশু? আসছে কৃষ্ণেন্দু ষান্নিগ্রাহীর নতুন ছবি
স্থায়ী সমাধান হয়
এ প্রসঙ্গে এলাকার বিধায়ক সৌভিক পাত্র জানিয়েছেন, বিষয়টি তাঁর জানা রয়েছে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, জয়পণ্ডা নদীর উপর স্থায়ী পারাপারের ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবিতে তিনি বিধানসভায় বিষয়টি উত্থাপন করবেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন। এখন গ্রামবাসীদের একটাই প্রত্যাশা বহু বছরের এই সমস্যার অবশেষে যেন স্থায়ী সমাধান হয়।



