Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: এএফসিতে আল আরাবির বিরুদ্ধে খেলতে নামবে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal Nacho)। কিন্তু তার আগেই লাল হলুদ শিবিরের অন্দরে সমস্যার কালো মেঘ। বেশ কিছু দিন ধরে ইস্টবেঙ্গল অনুশীলনে দেখা মিলছে না নাচো মনসালভের। জানা গিয়েছে চোটের সমস্যা রয়েছে তাঁর। তাই মরসুমের শুরুতেই বড় ধাক্কা খেতে হল ইস্টবেঙ্গলকে। দলের নতুন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার ঘিরে তৈরি হয়েছে বড় অনিশ্চয়তা। সাউথ ইউনাইটেড ম্যাচের আগে থেকেই চোটের সমস্যায় ভুগলেও ঝুঁকি নিয়ে সেই ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। কিন্তু ম্যাচ শেষের পরই তাঁর হাঁটুর চোট নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। ফলস্বরূপ, আসন্ন এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-এর প্রাথমিক পর্ব তো বটেই, মরসুমের বেশিরভাগ সময়ই তাঁর মাঠের বাইরে কাটানোর জোরাল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন? (East Bengal Nacho)
সদ্য মরসুম শুরু হয়েছে। অনুশীলন হয়ে মাত্র ১৩ দিন। এরমধ্যেই চোট! তাই অনেকেরই প্রশ্ন নাচো মানসালভে কি চোট লুকিয়ে সই করেছেন ইস্টবেঙ্গলে! যদি তাও হয় ফিটনেস টেস্টে ধরা পড়ল না কেন? নাচো মানসালভেকে নিয়ে এই মুহূর্তে ইস্টবেঙ্গলের অন্দরেই বেশ অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বিরক্ত কোচ আন্তেনিয়ো লোপেজ হাবাস সহ গোটা ম্যানেজমেন্ট। তাই নাচো মানসালভেকে হয়ত আর দেখা যাবে না লাল হলুদ জার্সিতে।
বিকল্পের খোঁজ (East Bengal Nacho)
নাচোর চোটের পর থেকেই তড়িঘড়ি তাঁর বিকল্পের সন্ধান শুরু করেছে ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্ট। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন ডিফেন্ডারের সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তাও শুরু হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে ভারতে খেলে যাওয়া অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এবং লিগ ট্রফি জয়ী এক স্প্যানিশ ডিফেন্ডার। এছাড়া জামশেদপুরের পরিচিত মুখ স্টিফেন এজে-র নামও রয়েছে। শোনা যাচ্ছে এজের সঙ্গে ম্যানেজমেন্টের কথাও হয়েছে। তাকে দলে নিতে ম্যানেজমেন্টও মত দিয়েছে। কিন্তু সমস্যা ভিসাজনিত। শোনা যাচ্ছে সেই সমস্যা কাটিয়ে স্টিফেন এজেকেই দলে প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে ম্যানেজমেন্ট। তবে এখন চিন্তা কোচ হাবাসের ট্যাকটিক্যাল ছকের সঙ্গে তিনি কতটা মানানসই হবেন, তা নিয়ে।

আরও পড়ুন: East Bengal vs Al Arabi AFC: বন্ধুত্বের অঙ্কে ইস্টবেঙ্গল বধের পরিকল্পনা আল আরবির কোচের
আর্থিক প্রতিবন্ধকতা (East Bengal Nacho)
নতুন ফুটবলার খোঁজা শুরু হলেও কাউকেই চূড়ান্ত রূপ দিতে পারছে না ক্লাব কর্তৃপক্ষ (East Bengal Nacho)। এক বছরের চুক্তিতে আসা নাচোকে মাঝপথে ছেড়ে দিতে গেলে তাঁর বাকি ১১ মাসের সম্পূর্ণ বেতন এবং চুক্তিভঙ্গের চড়া ক্ষতিপূরণ মেটাতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বড় অঙ্কের এই ক্ষতিপূরণ দেওয়া ইনভেস্টরহীন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষে অত্যন্ত দুরূহ। ক্লাব সূত্রে জানা যাচ্ছে, নাচোকে দল থেকে না সরালে নতুন কোনও বিদেশি ডিফেন্ডারকে সাইন করানো প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে। ফলে একদিকে এএফসি টুর্নামেন্টের কঠিন ম্যাচ এবং অন্যদিকে রক্ষণভাগের এই চোট সমস্যা—সব মিলিয়ে বেশ বড় বিপাকেই পড়েছে লাল-হলুদ শিবির।



