Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: বর্তমান যুগে আধার কার্ড শুধু একটি পরিচয়পত্র (Aadhar Card) নয়, বরং নাগরিক পরিষেবার গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা, মোবাইল কানেকশন নেওয়া থেকে শুরু করে সরকারি প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করা-সবক্ষেত্রেই আধার বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে। এই গুরুত্ব মাথায় রেখে UIDAI (ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়া) গত এক বছরে আধার ব্যবস্থায় একাধিক পরিবর্তন এনেছে, যা ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও নিরাপদ করেছে।
সহজলভ্য আপডেট প্রক্রিয়া (Aadhar Card)
আগে আধার কার্ডে তথ্য সংশোধনের জন্য নির্দিষ্ট কেন্দ্রে যেতে (Aadhar Card) হত। কিন্তু এখন UIDAI অনলাইনে মোবাইল নম্বর, ইমেল আইডি, বা ঠিকানা আপডেট করার সুযোগ দিয়েছে। এর ফলে ব্যবহারকারীদের সময় এবং পরিশ্রম দুই-ই বাঁচছে। এই প্রক্রিয়া এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি গ্রাহকবান্ধব।
বায়োমেট্রিক যাচাইয়ে উন্নয়ন (Aadhar Card)
আধার যাচাইকরণের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ বায়োমেট্রিক তথ্য-যেমন আঙুলের (Aadhar Card) ছাপ ও চোখের আইরিস স্ক্যান। UIDAI এই দুটি তথ্য যাচাইয়ের প্রযুক্তিকে আরও নিখুঁত করেছে, যাতে ব্যাঙ্কিং ও সরকারি পরিষেবাগুলিতে দ্রুত ও নির্ভুল প্রমাণীকরণ সম্ভব হয়।
মাস্ক আধার কার্ডের গুরুত্ব
নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখতে UIDAI চালু করেছে মাস্ক আধার কার্ড। এটি এমন একটি সংস্করণ, যেখানে পূর্ণ ১২-সংখ্যার UID নম্বরের পরিবর্তে শুধুমাত্র শেষ ৪টি সংখ্যা দেখা যায়। এতে পরিচয় যাচাই সম্ভব হয়, কিন্তু গোপনীয়তা বজায় থাকে।
ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়ায় সরলতা
ব্যাঙ্ক, মোবাইল সংযোগ অথবা অন্যান্য পরিষেবায় পরিচয় যাচাই করতে এখন ই-কেওয়াইসি আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়েছে। অনলাইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খুব দ্রুতই পরিষেবা নেওয়া যাচ্ছে, যার ফলে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানো বা অতিরিক্ত নথিপত্রের প্রয়োজন কমে গিয়েছে।

ভবিষ্যতের রূপান্তর কী?
UIDAI ভবিষ্যতে আধারকে আরও আধুনিক ও নিরাপদ করে তোলার পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে:
- মাস্ক অথেন্টিকেশন ও বায়োমেট্রিক যাচাইকরণের সমন্বয় – নিরাপত্তা ও ব্যবহারযোগ্যতা বাড়াতে এই সংযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
- অফলাইন আধার যাচাইকরণ – ইন্টারনেট ছাড়াই পরিচয় যাচাইয়ের সুবিধা, যা প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
- ডিজিটাল আধার ওয়ালেট – একটি মোবাইল অ্যাপ, যেখানে ব্যবহারকারী তাদের আধার সংক্রান্ত তথ্য নিরাপদে সংরক্ষণ করতে পারবেন।
- উন্নত এনক্রিপশন ও মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন – ভবিষ্যতের আধার ব্যবস্থায় তথ্য চুরি বা জালিয়াতির ঝুঁকি আরও কমবে।


