Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সুকৃতি ভট্টাচার্য: ক্যামাক স্ট্রিটে বেআইনি ভাবে বিলবোর্ড লাগানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্ক এবার আরও জটিল আকার নিল (Abhishek Banerjee)। এই ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং পুলিশ ও পুরসভার কর্মীদের হেনস্থার অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজিরার নোটিশ দেয় শেক্সপিয়ার সরণী থানা। সেই নোটিশের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার থানায় হাজির হন তিনি।
অভিযোগ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের সামনে বেআইনি ভাবে একটি বিলবোর্ড লাগানো হয়েছিল। সেটি সরাতে পুরসভা ও পুলিশের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়া এবং তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা ধরে প্রশ্নোত্তর (Abhishek Banerjee)
নোটিশ অনুযায়ী থানায় হাজির হওয়ার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা থানায় থাকার পর অবশেষে বেরিয়ে আসেন তিনি। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
তদন্তকারীরা মূলত বিলবোর্ড লাগানো, সেটি সরাতে গিয়ে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি এবং সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় জানতে চেয়েছেন বলেই জানা যাচ্ছে।
বিলবোর্ড ঘিরে কেন এত বিতর্ক? (Abhishek Banerjee)
একটি বিলবোর্ডকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ঘটনা কীভাবে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ পর্যন্ত গড়াল, তা নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠছে। পুরসভা ও পুলিশের দাবি, বেআইনি ভাবে লাগানো বিজ্ঞাপন বা বিলবোর্ড সরানো ছিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ। কিন্তু সেই কাজ করতে গিয়ে সরকারি কর্মীদের বাধার মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ। অন্যদিকে, এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরও ক্রমশ বাড়ছে। অভিষেকের থানায় হাজিরা সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
আরও পড়ুন: Abhishek Banerjee PA: সুমিত রায়ের আগাম জামিন শুনানিতে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্স’ নিয়ে সরব সুপ্রিম কোর্ট
সামনে কী?
সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হলেও ঘটনাটির আইনি প্রক্রিয়া এখানেই শেষ হচ্ছে না। তদন্তে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পরবর্তী পদক্ষেপ করতে পারে। ফলে ক্যামাক স্ট্রিটের একটি বিলবোর্ডকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া এই বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের।



