Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাজনীতির ময়দানে প্রতিবাদের ভাষা (Abhishek Banerjee) সাধারণত স্লোগান, সভা কিংবা সংসদীয় বক্তব্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু কখনও কখনও সেই প্রতিবাদ ছুঁয়ে যায় শিল্পের পরিসর। ঠিক তেমনই এক ভিন্ন মাত্রার প্রতিবাদ সামনে আনলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআইআর বিতর্ককে কেন্দ্র করে এ বার তিনি বেছে নিলেন কবিতার পথ। ‘আমি অস্বীকার করি’-এই শিরোনামে লেখা কবিতাটি সোমবার সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেই রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিলেন অভিষেক।
রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ (Abhishek Banerjee)
কবিতার প্রতিটি পঙ্ক্তিতে ফুটে উঠেছে রাষ্ট্রব্যবস্থা (Abhishek Banerjee) নিয়ে তীব্র অসন্তোষ। সরাসরি অভিযোগের ভাষা নয়, বরং রূপক, প্রতীক আর দৃঢ় অস্বীকারের মধ্য দিয়েই তিনি তুলে ধরেছেন এসআইআর ঘিরে সাধারণ মানুষের যন্ত্রণা, ভয় আর মৃত্যুর কথা। কবিতায় নিজেকে ‘সাক্ষী’ হিসেবে স্থাপন করেছেন অভিষেক-যিনি কেবল দেখছেন না, বরং বহন করছেন মানুষের কষ্টের নীরব দলিল। তাঁর লেখায় উঠে এসেছে তালিকার শাসন, আতঙ্কের পরিবেশ এবং রাষ্ট্রের নামে রক্তের দায়-যা পাঠককে ভাবতে বাধ্য করে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে (Abhishek Banerjee)
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, অভিষেকের কবিতার শব্দচয়ন ও ভঙ্গি বেশ আলাদা। সাধারণত যে ভাষা বাম কিংবা অতিবাম লেখকদের লেখায় দেখা যায়, সেই ধাঁচই যেন এখানে স্পষ্ট। ফলে প্রশ্ন উঠছে, কবিতার মাধ্যমে কি তিনি শুধুই এসআইআরের বিরোধিতা করলেন, নাকি বৃহত্তর রাষ্ট্রীয় কাঠামোর বিরুদ্ধেও এক ধরনের বার্তা দিতে চাইলেন? নবারুণ ভট্টাচার্যের কবিতার ছায়াও যেন কোথাও কোথাও ধরা পড়ছে-যেখানে রাষ্ট্র হয়ে ওঠে ‘মৃত্যু উপত্যকা’র প্রতীক।

আরও পড়ুন: Jagannath Dham: কেরল–কাশ্মীরকে টেক্কা দিয়ে বিদেশি পর্যটকের পছন্দ এখন দিঘার জগন্নাথধাম
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসআইআর প্রসঙ্গে একাধিক কবিতা লিখেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় অভিষেকের এই কবিতা অনেকের কাছেই রাজনৈতিক উত্তরাধিকার আর প্রতিবাদের সাংস্কৃতিক রূপের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সভা-মিছিলের বাইরে দাঁড়িয়ে, কবিতাকে হাতিয়ার করে এসআইআর বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করল এই লেখা-যা নিঃসন্দেহে তৃণমূল রাজনীতির এক অন্য ছবি তুলে ধরল।


