Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিশ্বকাপ তাঁকে কীভাবে বদলে দিয়েছে সেই কথা নিজের মুখে জানালেন অভিষেক শর্মা (Abhishek Sharma)।
কী বললেন অভিষেক? (Abhishek Sharma)
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারত জিতলেও অভিষেক শর্মার ফর্ম নিয়ে জল্পনা চলেছে বিস্তর। টানা তিন ম্যাচে শূন্য রানে তাঁকে ফিরতে হয় সাজঘরে। মাত্র দুটি ম্যাচে অর্ধশতরান করেন তিনি। একটি সুপার এইটে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে এবং আরেকটি ফাইনালে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে। কিন্তু তার মধ্যেও তাঁর উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে সমালোচনার ঝড় (Abhishek Sharma)।
বিধ্বংসী ব্যাটার হিসেবেই পরিচয় অভিষেকের। প্রথম বল থেকেই বিপক্ষ বোলারের মনোবল ভেঙে দেওয়াই তাঁর প্রধান স্ট্রাটেজি। কিন্তু বিশ্বকাপ এই কাজ করতে গিয়েই বিপদে পড়তে হয়েছে তাঁকে। অফ স্পিনারের বিরুদ্ধে বারবার পরাস্ত হতে হয়েছে এই তরুণ ব্যাটারকে। কিন্তু এরপরেও দলের হেড কোচ গম্ভীর এবং দলের সতীর্থরা তাঁর পাশে ছিলেন বলেই তিনি কামব্যাক করতে পেরেছেন বলেই জানান তিনি।

আইসিসি টি-টোয়েন্টির ক্রমতালিকায় অভিষেক রয়েছেন এক নম্বরে। কিন্তু বিশ্বকাপে অভিষেক সুলভ খেলা তিনি খেলতে পারেননি। কিন্তু দলের হেড কোচ গম্ভীরের জন্যই যে তিনি ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছেন বলেই জানিয়েছেন অভিষেক। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘গোতি ভাই খুব সৎ। সব সময় স্পষ্ট কথা বলেন। কঠিন সময়ে গম্ভীর ভাই উৎসাহ দিয়েছিল। মনে সাহস দিয়েছিল। নিজের স্বাভাবিক কাজটাই করে যেতে বলেছিল।’ তাঁর কথায়, ‘গোতি ভাই বলেছিলেন, একটা ভাল ইনিংস ছন্দ ফিরিয়ে দেবে। একটা ভাল ইনিংস দলকে জেতাবে। ফাইনালে সেই কাজটা করতে পারায় খুব খুশি (Abhishek Sharma)।’

আরও পড়ুন: Shakira Tour: কেনিয়ে ওয়েস্ট, ফ্লিপেরাচির পর এবার শাকিরা: পপ তারকাদের সিদ্ধান্তে ভারতে কী প্রভাব?
ফাইনালে অভিষেক ৫২ রান করেন ২১ বলে। হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন ১৮ বলে। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধেও হাফ সেঞ্চুরি করলেও সেই ছন্দে যেন ছিলেন না তিনি। অভিষেক বলেন, ‘টুর্নামেন্টে বার বার শুরুতেই আউট হয়ে যাচ্ছিলাম। ভেঙে পড়েছিলাম। দলের হয়ে খেলতে পারছিলাম না। কিন্তু কোচ ও সতীর্থরা পাশে ছিল। তাই ফাইনালে নিজের সেরাটা দিতে পেরেছিলাম।’
প্রথমবার বিশ্বকাপ খেললেন অভিষেক শর্মা। বিশ্বকাপ যে তাঁকে অনেকটাই বদলে দিয়েছে, সেটাও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘কয়েকটা ইনিংসে রান পাইনি। কয়েকটায় পেয়েছি। বুঝতে পেরেছি ক্রিকেটে মানসিক জোর কতটা জরুরি। সবসময় পজিটিভ থাকতে হবে। ভেঙে পড়লেই মুশকিল। সঙ্গে পরিশ্রমটাও করতে হবে। বিশ্বকাপ থেকে এই শিক্ষাই পেয়েছি (Abhishek Sharma)।’


