Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অ্যাসিড হামলার মতো জঘন্য অপরাধে অভিযুক্তদের সমস্ত সম্পত্তি নিলাম করে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া যায় কি না তা নিয়ে মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট(Acid Attack)। আদালত স্পষ্ট করে জানায়, বর্তমান ক্ষতিপূরণের পরিমাণ (ন্যূনতম ৩ লক্ষ টাকা) আজীবন চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য মোটেই যথেষ্ট নয়। তাই আর্থিক পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে আরও কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন।
প্রধান বিচারপতির মন্তব্য (Acid Attack)
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত মন্তব্য করেন, “এই ধরনের নৃশংস অপরাধ ঠেকাতে আমাদের অসাধারণ কঠোর ও যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির কথা ভাবতে হবে।” আদালত জানায়, ক্ষতিপূরণ বাস্তবায়নে রাজ্যগুলিকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।
১৬ বছর লড়াইয়ের পরও অভিযুক্তের রেহাই
২০০৯ সালের এক অ্যাসিড হামলায় আক্রান্ত এবং ‘ব্রেভ সোলস ফাউন্ডেশন’-এর প্রতিষ্ঠাতা শাহিন মালিকের এক জনস্বার্থ মামলার (PIL) শুনানি চলছিল শীর্ষ আদালত। শাহিন জানান, দীর্ঘ ১৬ বছর লড়াইয়ের পরও নিম্ন আদালত তাঁর মামলায় সমস্ত অভিযুক্তকে খালাস দিয়েছে। তিনি বলেন, “আমি যখন আক্রান্ত হই, তখন আমার বয়স ছিল ২৬। এখন আমি ৪২। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বছরগুলি কেটে গেল, তবু আজও জানি না আমি কোথায় দাঁড়িয়ে।”
প্রধান বিচারপতির আশ্বাস (Acid Attack)
প্রধান বিচারপতি আশ্বাস দেন, হাই কোর্টে তাঁর মামলার জন্য সর্বোত্তম আইনজীবী নিশ্চিত করা হবে। এই মামলা সাত বছর ধরে ঝুলে থাকায় আগেই নিম্ন আদালতকে দ্রুত শুনানি শেষ করার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।
আইনের ত্রুটি নির্দেশ আদালতের (Acid Attack)
আদালত আরও জানায়, যাঁদের জোর করে অ্যাসিড পান করানো হয়, তাঁরা ‘প্রতিবন্ধী’ হিসেবে গণ্য হন না এমন ত্রুটি রয়েছে ২০১৬ সালের ‘রাইটস অব পার্সনস উইথ ডিজ়অ্যাবিলিটিজ় অ্যাক্ট’-এ। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: FTA Eri Silk: মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি উদযাপন: এরি সিল্কের স্টোলে মোদি-উরসুলা
তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ আদালতের (Acid Attack)
পাশাপাশি, সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে বছরভিত্তিক অ্যাসিড হামলার পরিসংখ্যান, চার্জশিট, বিচারাধীন মামলা এবং ভুক্তভোগীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, বৈবাহিক অবস্থা ও কর্মসংস্থানের তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রকে আদালত পণের কারণে মৃত্যুর বিরুদ্ধে আইন আনার দিকেও ইঙ্গিত দিয়েছে, যেখানে অভিযুক্তের দিকেই প্রমাণের দায় বর্তায়। ২০১৩ সালেই অ্যাসিড বিক্রি নিয়ন্ত্রণে কড়া নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।



