Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রবল তুষারঝড়ে কার্যত স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে আমেরিকার বিস্তীর্ণ এলাকা (United States)। হিমাঙ্কের নিচে নেমে যাওয়া তাপমাত্রা, ঘন বরফে ঢেকে যাওয়া রাস্তা ও শূন্যে নেমে আসা দৃশ্যমানতার মধ্যেই ঘটে গেল এক মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনা। আমেরিকার মেইন প্রদেশে একটি প্রাইভেট জেট ভেঙে পড়ে মৃত্যু হয়েছে আট জনের। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা অঞ্চলে।

টেক অফের পরই ভেঙে পড়ে প্রাইভেট জেট (United States)
রবিবার সন্ধ্যায় মেইনের বাঙ্গোর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড়ান শুরু করেছিল ওই প্রাইভেট জেটটি। স্থানীয় সূত্রের খবর, সন্ধ্যা প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ টেক অফের কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানবন্দরের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে বিমানটি। উড়ান শুরুর মুহূর্তেই এমন দুর্ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
বিকট বিস্ফোরণ ও আগুনে ঢেকে যায় এলাকা (United States)
বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন লেগে যায় বিমানে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণের শব্দ এতটাই ভয়ংকর ছিল যে বহু দূর পর্যন্ত তা শোনা যায়। আতঙ্কে ছুটোছুটি শুরু করেন বিমানবন্দরের কর্মী ও আশপাশের মানুষজন।

আট আরোহীরই মৃত্যু (United States)
বিমানটিতে চালক-সহ মোট আট জন আরোহী ছিলেন। দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও কাউকেই জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। দমকল, পুলিশ ও জরুরি পরিষেবা একযোগে উদ্ধারকাজ চালালেও আগুনের তীব্রতা এবং বিস্ফোরণের জেরে সকলেরই মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা।
শূন্য দৃশ্যমানতাই কি দুর্ঘটনার কারণ? (United States)
বর্তমানে ভয়াবহ তুষারঝড়ের কবলে আমেরিকার একাধিক প্রদেশ। মেইনও তার ব্যতিক্রম নয়। ঘন বরফে ঢেকে রয়েছে বিমানবন্দর এলাকা, তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে হিমাঙ্কের অনেক নিচে। পাশাপাশি দৃশ্যমানতাও প্রায় শূন্যে পৌঁছেছে। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, এই প্রতিকূল আবহাওয়াই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হতে পারে। যদিও প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা অন্য কোনও মানবিক ভুলের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা।
আরও পড়ুন:Humayun Kabir: তৃণমূলের আক্রমণে কৌশল বদলালেন হুমায়ুন কবীর
সব দিক খতিয়ে দেখার আশ্বাস
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট মার্কিন কর্তৃপক্ষ। বিমানের ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা গেলে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা আশ্বাস দিয়েছেন, আবহাওয়া, যান্ত্রিক ত্রুটি ও পাইলটের সিদ্ধান্ত সব দিক খতিয়ে দেখে তবেই চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে।



