Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বর্য রাইকে (Aishwarya Rai Bachchan) নিয়ে চমকপ্রদ দাবি করলেন বিজ্ঞাপনজগতের বিখ্যাত পরিচালক প্রহ্লাদ কক্কর (Prahlad Kakkar)। তিনি দাবি করেন, অনেকেই ভাবতেন ঐশ্বর্য রাই খুব গম্ভীর বা ‘নাক উঁচু’। কিন্তু বাস্তবে তিনি খুবই লাজুক এবং কিছুটা অনভিজ্ঞ ছিলেন, বিশেষ করে ইংরেজি ভাষায় কথা বলার ক্ষেত্রে।

নিজেকে বড় ভাবা! (Aishwarya Rai Bachchan)
প্রহ্লাদ কক্করের (Prahlad Kakkar) দাবি, ঐশ্বর্য রাই (Aishwarya Rai Bachchan) প্রথমে নিজের মাতৃভাষাতে সম্ভবত চিন্তা করতেন, তারপর সেটা ইংরেজিতে অনুবাদ করে বলতেন। ইংরেজি ভাষায় পুরোপুরি সাবলীল না হওয়ায় তিনি অনেক সময় চুপ থাকতেন। তাই সবাই ভুলভাবে নিত যে, তিনি অহংকারী বা নিজেকে বড় ভাবেন।
পিছিয়ে পড়ার কারণ (Aishwarya Rai Bachchan)
১৯৯৪ সালে ‘মিস ইন্ডিয়া’ প্রতিযোগিতায় সুস্মিতা সেন (Sushmita Sen) ও ঐশ্বর্য রাই (Aishwarya Rai Bachchan) ছিলেন একসঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী। ঐ বছরেই সুস্মিতা ‘মিস ইউনিভার্স’ আর ঐশ্বর্য রাই (Aishwarya Rai Bachchan) ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ খেতাব পান। সেই প্রতিযোগিতার সময়কার এক ঘটনা উল্লেখ করে প্রহ্লাদ দাবি করেন, ঐশ্বর্য রাই প্রশ্নোত্তর পর্বে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছিলেন। কারণ তখনও তিনি আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেননি, বিশেষ করে জনসমক্ষে ইংরেজিতে বক্তব্য দেওয়ার অভ্যাস ছিল কম।

ভুল ভাবে নেওয়া (Aishwarya Rai Bachchan)
প্রহ্লাদের আরও দাবি, ঐশ্বর্য রাই ( Aishwarya Rai) খুব কম কথা বলতেন। তাঁর মধ্যে এক ধরনের আত্মবিশ্বাস ছিল, কিন্তু সেটা প্রকাশ করার স্টাইল ছিল শান্ত ও সংযত। অনেকে সেটা ভুল ভাবে বুঝেছে। অভিনেত্রীর নীরবতা ছিল একটা রক্ষাকবচ, কারণ তখন ইংরেজি ভাষায় পুরোপুরি সাবলীল ছিলেন না। পরিচালক প্রহ্লাদের দাবি ,ঐশ্বর্য কখনও অহংকারী ছিলেন না। বরং তাঁর ভাবনাগুলো সাজিয়ে বলার চেষ্টা করতেন। আর সে জন্য সময় নিতেন এবং অনেক সময় না বলেই থাকতেন। এটা কেউ কেউ ভুল ভাবে নিত।
পিছিয়ে দিয়েছিল অস্বস্তি ! (Aishwarya Rai Bachchan)
প্রতিযোগিতার সময়ের আরও একটি ঘটনা স্মরণ করে প্রহ্লাদ দাবি করেন, ঐশ্বর্য রাইয়ের ( Aishwarya Rai Bachchan) তখনও হাই হিল পরে হাঁটার তেমন অভ্যাস ছিল না। ফলে কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছিলেন তিনি। আর যে কারণে তিনি পিছিয়ে পড়েছিলেন বলে মনে করেন পরিচালক। অভিনেত্রী ঐশ্বর্য রাইয়ের এসব সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও প্রহ্লাদ কক্কর মনে করতেন, ঐশ্বর্য অনেক দূর যাবেন। কারণ অভিনেত্রী ছিলেন খুব মনোযোগী, নিজের কাজের প্রতি নিবেদিত। তাঁর সৌন্দর্যের পাশাপাশি ছিল এক ধরনের নীরব আত্মবিশ্বাস, যেটা এক সময় তাঁকে বলিউডের শীর্ষে নিয়ে গেছে, বলে মনে করেন প্রহ্লাদ কক্কর (Prahlad Kakkar)।
আরও পড়ুন: Shantanu Maheshwari: পুজোর আগে কলকাতায় আলিয়ার প্রেমিক! নস্টালজিয়ায় ভাসলেন শান্তনু
বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে দেখা যায়, ঐশ্বর্য রাই সত্যিই সফল। শুধু বলিউড নয়, আন্তর্জাতিক মঞ্চেও তিনি নিজের পরিচয় গড়ে তুলেছেন। মা, অভিনেত্রী, ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে তাঁর পরিচিতি বিশ্বজোড়া। প্রহ্লাদ কক্করের (Prahlad Kakkar) দাবি অনুযায়ী এটা স্পষ্ট যে, কখনও কখনও চুপ থাকা বা ভাষাগত সমস্যার কারণে কেউ ভুল বোঝার শিকার হতে পারে। কিন্তু প্রকৃত আত্মবিশ্বাস সময়ের সঙ্গে ঠিকই প্রকাশ পায় ।



