Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রাক্তন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস শনিবার ভেনেজুয়েলায় প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে আটক করার মার্কিন অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন(America)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই অভিযানকে “অবৈধ” ও “অবিবেচক” বলে মন্তব্য করেন।
‘বেআইনি ও অযৌক্তিক অভিযান’(America)
হ্যারিস স্বীকার করেন যে নিকোলাস মাদুরো একজন “নিষ্ঠুর” ও “অবৈধ” শাসক। তবে তাঁর মতে, তা সত্ত্বেও ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ আমেরিকাকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী করে না। তিনি লেখেন, “মাদুরো যে একজন নিষ্ঠুর ও অবৈধ স্বৈরশাসক, তা এই সত্যকে বদলায় না যে এই অভিযান ছিল বেআইনি ও অযৌক্তিক। আমরা আগেও এমন দৃশ্য দেখেছি—শাসন পরিবর্তন বা তেলের জন্য যুদ্ধ, যা শক্তির প্রদর্শন হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা বিশৃঙ্খলা ডেকে আনে এবং এর মূল্য দেয় আমেরিকান পরিবারগুলো।”
‘তেলের স্বার্থে অভিযান’(America)
কমলা হ্যারিস আরও অভিযোগ করেন, এই অভিযানের পিছনে আসল উদ্দেশ্য গণতন্ত্র বা মাদক পাচার দমন নয়, বরং তেলের স্বার্থ। তাঁর ভাষায়, “এটি মাদক বা গণতন্ত্র নিয়ে নয়। এটি তেল নিয়ে এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের আঞ্চলিক শক্তিমান হিসেবে নিজেকে জাহির করার ইচ্ছা নিয়ে।” তিনি বলেন, যদি প্রেসিডেন্ট সত্যিই এসব বিষয়ে আন্তরিক হতেন, তবে তিনি কোনও দণ্ডপ্রাপ্ত মাদক পাচারকারীকে ক্ষমা করতেন না কিংবা ভেনেজুয়েলার বৈধ বিরোধী শক্তিকে পাশে সরিয়ে রাখতেন না।
‘মার্কিন সেনাদের ঝুঁকি’(America)
হ্যারিস অভিযোগ করেন, এই সিদ্ধান্ত মার্কিন সেনাদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে এবং গোটা অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করছে। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট কোনো আইনি ভিত্তি, স্পষ্ট পরিকল্পনা বা দেশের অভ্যন্তরে কোনও সুফল ছাড়াই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করছেন।
আরও পড়ুন: World reaction: ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযান: মাদুরো আটক, বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া
‘অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ’(America)
এর আগে শনিবার ট্রাম্প প্রশাসন নিশ্চিত করে যে ‘অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ’-এর আওতায় মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে আনা হয়েছে। পরে তাঁদের নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে পাঠানো হয়। এদিকে ভেনেজুয়েলার সুপ্রিম কোর্ট ডেলসি রদ্রিগেজকে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ করেছে। সংবিধান অনুযায়ী তাঁর ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের কথা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।



