Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ফের বঙ্গ সফরে আসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ(Amit Shah)। ৩০ জানুযারি কলকাতায় এসে পৌঁছোবেন তিনি। বিজেপির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই সফরে কোনও জনসভা করবেন না শাহ। তাঁর সমগ্র কর্মসূচি হবে সাংগঠনিক। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষে বা মার্চের শুরুতে ঘোষণা হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ। তাঁর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মূলত নির্বাচনী রণকৌশল নির্ধারণ সংক্রান্ত বৈঠক করবেন বলে জানা গিয়েছে বিজেপির তরফে।
ছাব্বিশের টার্গেটে পদ্ম-প্রচার(Amit Shah)
রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে বা মার্চের শুরুতেই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতে পারে। তার আগেই সংগঠনের ভিত শক্ত করা, দুর্বল জায়গাগুলি চিহ্নিত করা এবং নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো—এই সব বিষয়েই একাধিক বৈঠক করতে পারেন শাহ।
উত্তরবঙ্গে বিশাল জনসভা(Amit Shah)
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর(Amit Shah) সফরের মূল আকর্ষণ হতে চলেছে ৩১ জানুয়ারির কর্মসূচি। উত্তরবঙ্গে এক বিশাল জনসভা করবেন শাহ। সূত্রের খবর, শিলিগুড়িতে এই সভার প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। উত্তরবঙ্গের সাংগঠনিক শক্তি যাচাই এবং কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতেই তাঁর এই সফর বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কলকাতায় থাকাকালীন রাজ্য, জেলা ও মণ্ডল স্তরের নেতাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
আরও পড়ুন: SIR: এক বাবার নামে ‘বহু’ সন্তান! সাজানো সংসারে ‘ঘুণ’ ধরাচ্ছে SIR নোটিশ
সংগঠন মজবুত করতে জোর
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দেখানো পথে এবার হাঁটতে পারেন অমিত শাহ(Amit Shah)। দলীয় সূত্রে ইঙ্গিত, কলকাতায় সাংগঠনিক বৈঠকের পর উত্তরবঙ্গ সফরে যেতে পারেন তিনি। অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ বিজেপির জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। সেখানে সংগঠনের ভিত মজবুত হলে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলানো সম্ভব হলেও হতে পারে।
রাজ্য বিজেপির অন্দরেই স্বীকার করা হচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে দলীয় নেতৃত্ব ও সংগঠনের মধ্যে কিছু জায়গায় অসংগতি তৈরি হয়েছে। ভোটের আগে সেই ফাঁকফোকর বন্ধ করা শাহের মূল লক্ষ্য। কে কোন দায়িত্বে থাকবেন, কার উপর কতটা ভরসা রাখা হবে, নির্বাচনী প্রচারের ভাষা কী হবে—এই সব প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে এই সফরের বৈঠকগুলির শেষে। সেই কারণে শাহের এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে রাজ্য বিজেপির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের জন্য। এমনটাই মনে করছেন বিজেপি নেতৃত্ব।


