Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বর্তমানে চলছে এসআইআর বা Systematic Identification & Rectification এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক অভিযান (Amitabh Bachchan)। এই প্রক্রিয়ার মূল লক্ষ্য হল ভোটার তালিকার ত্রুটি খুঁজে বের করে সংশোধন করা এবং পুরনো, ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক তথ্যকে সরিয়ে ফেলে একটি সঠিক ও স্বচ্ছ ভোটার নথি তৈরি করা। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে নামী তারকা সবাই এই যাচাইয়ের আওতায় পড়ছেন। আর এই প্রক্রিয়া চলাকালীনই সামনে এসেছে এক বিস্ময়কর তথ্য, যা দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। জানা গিয়েছে, বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন নাকি আদতে মধ্যপ্রদেশের ঝাঁসি জেলার ভোটার!
এক ঠিকানার অদ্ভুত পথচলা (Amitabh Bachchan)
অমিতাভ বচ্চন দীর্ঘদিন ধরে মুম্বইয়ের জুহু এলাকায় বসবাস করেন, এবং বহু বছর ধরে সেই কেন্দ্রেই ভোট দিয়ে আসছেন। কিন্তু এসআইআর প্রক্রিয়ায় দেখা যায়, তাঁর নাম নাকি রয়েছে ঝাঁসির ওর্চা গেট এলাকার ভোটার তালিকায়। শুধু তিনিই নন, তাঁর বাবা, বিখ্যাত কবি হরিবংশ রাই বচ্চনের নামও রয়েছে ঐ একই তালিকায়। ভোটার নথিতে উল্লেখ রয়েছে যে, তাঁদের ঠিকানা ছিল ওই এলাকার ৫৪ নম্বর বাড়ি। প্রশ্ন উঠছে, এই ঠিকানাটি কি সত্যিই বচ্চন পরিবারের? নাকি প্রশাসনিক নথির ভুল?
স্থানীয়দের স্মৃতিতে নেই বচ্চন পরিবার (Amitabh Bachchan)
ঘটনাটি প্রকাশ পেতেই প্রশাসন ও সংবাদমাধ্যমের তৎপরতা বাড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসা করলে তাঁরা স্পষ্ট জানান, এমন কোনও দিন তাঁরা বচ্চন পরিবারকে ওই এলাকায় দেখেননি। তাঁদের দাবি আরও বিস্ময়কর ভোটার তালিকায় যেটিকে ৫৪ নম্বর বাড়ি বলা হয়েছে, সেখানে কোনও বাড়িই নেই! বর্তমানে সেই জায়গায় রয়েছে একটি মন্দির। এখানেই রহস্য আরও ঘনীভূত হয়। একই ঠিকানায় নাকি আরও একটি পরিবারের নাম তালিকাভুক্ত ছিল। কিন্তু যেই ঠিকানাটি নথিতে রয়েছে, বাস্তবে তো সেটিই নেই।
আরও পড়ুন: Celebrate 30 Years of DDLJ: টেমসের তীরে রাজ–সিমরনের মূর্তি ‘ডিডিএলজি’-র জাদু
পুরনো রেকর্ড, নাকি প্রশাসনিক গাফিলতি?
ভোটার তালিকা তৈরির সময় বহুদিন আগের নথি, অনুপস্থিত যাচাই ব্যবস্থা, বা স্থানান্তরিত সম্পত্তির কারণে এমন ভুল হওয়া খুব অস্বাভাবিক নয়। বিশেষত অতীতের অনেক নথি আজকের মানদণ্ডে অসম্পূর্ণ হয়ে পড়েছে। সম্ভবত, বচ্চন পরিবারের কোনও পূর্বপুরুষ বা আত্মীয় হয়তো বহু দশক আগে ওই অঞ্চলের ভোটার ছিলেন, অথবা ঠিকানাটি নথিতে থেকে গিয়েছে কিন্তু বাস্তবে তার অস্তিত্ব হারিয়েছে, কিংবা তালিকা সংশোধনের সময় তথ্য যাচাইয়ের অভাবেই এমন গোঁজামিল তৈরি হয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ার গুরুত্ব এখানেই এ ধরনের ভুল শুধরে ফেলা এবং সঠিকতা নিশ্চিত করা।



