Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতীয় সেনাবাহিনী (INDIAN ARMY) নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা আরও জোরদার করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে(Anant Shastra System)। প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO)-র তৈরি নতুন প্রজন্মের ‘অন্ত শস্ত্র’ (Anant Shastra) সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল ব্যবস্থা কেনার জন্য টেন্ডার জারি করেছে সেনা। এই প্রকল্পের আনুমানিক খরচ প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা।
পাকিস্তান-চিন সীমান্তে মোতায়েনের পরিকল্পনা (Anant Shastra System)
সেনা সূত্রে খবর, অন্ত শস্ত্র ব্যবস্থা পশ্চিম ও উত্তর সীমান্তে, অর্থাৎ পাকিস্তান ও চিনের দিকে মোতায়েন করা হবে(Anant Shastra System)। এর আগে মে মাসে সংঘটিত ‘অপারেশন সিনদূর’-এর সময় পাকিস্তানি ড্রোন মোকাবিলায় সেনার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বড় ভূমিকা নেয়। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পরিষদ দ্রুত দেশীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার অনুমোদন দেয়।
অন্ত শস্ত্র দ্রুত প্রতিক্রিয়ার সক্ষমতা (Anant Shastra System)
অন্ত শস্ত্র আগে পরিচিত ছিল কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (QRSAM) নামে। এটি এক উচ্চ গতিশীল ব্যবস্থা, যা চলমান অবস্থাতেও লক্ষ্য খুঁজে বের করতে এবং ছোট বিরতিতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়তে সক্ষম। প্রায় ৩০ কিলোমিটার পাল্লার এই ব্যবস্থা স্বল্প থেকে মধ্যম পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আকাশ (Akash) ও মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (MRSAM)-এর পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।
আরও পড়ুন :
সফল পরীক্ষা ও সক্ষমতা (Anant Shastra System)
প্রতিরক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, দিন ও রাত উভয় পরিস্থিতিতেই এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে(Anant Shastra System)। চলমান যুদ্ধক্ষেত্রে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর ক্ষমতা এবং নির্ভুল নিশানার কারণে অন্ত শস্ত্র সেনার হাতে একটি বড় সম্পদ হয়ে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে।
অপারেশন সিঁদুর অভিজ্ঞতা
চার দিনের সংঘর্ষে পাকিস্তান চীনা অস্ত্র ব্যবহার করেছিল(Anant Shastra System)। ভারতীয় সেনার এয়ার ডিফেন্স ইউনিট তখন L-70 ও Zu-23 গান ব্যবহার করে বেশিরভাগ ড্রোন ধ্বংস করে। পাশাপাশি আকাশ ও MRSAM ব্যবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। ভারতীয় বায়ুসেনার স্পাইডার ও রাশিয়ান তৈরি সুদর্শন S-400 সিস্টেমও প্রতিরক্ষায় সক্রিয় ছিল। এই অভিজ্ঞতাই নতুন ব্যবস্থা কেনার পথে সেনাকে আরও তৎপর করেছে।

আরও পড়ুন : Ladakh Unrest : ওয়াংচুক-এর বিরুদ্ধে পাকিস্তান-যোগ, বিদেশি ভ্রমণ ও প্ররোচনার অভিযোগ তুলল পুলিশ
ভবিষ্যতের প্রস্তুতি ও দেশীয়করণ
সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী দেশীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের ব্যবহার বাড়ানোর উপর জোর দিচ্ছেন। অন্ত শস্ত্র ছাড়াও ভবিষ্যতে সেনার হাতে আসতে চলেছে দেশীয় তৈরি জোরাওয়ার লাইট ট্যাঙ্ক এবং আরও কয়েকটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। একই সঙ্গে নতুন রাডার, স্বল্প পাল্লার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, জ্যামার ও লেজার-ভিত্তিক সিস্টেম যোগ হচ্ছে পাকিস্তান ও চিন থেকে আসা ড্রোন মোকাবিলায়(Anant Shastra System)।
অন্ত শস্ত্রের মতো দেশীয় প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা সেনার প্রতিরক্ষা বলয়কে আরও শক্তিশালী করবে। ৩০ হাজার কোটির এই প্রকল্প শুধু সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করবে না, বরং ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পে দেশীয়করণ ও আত্মনির্ভরতার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে দেবে।


