Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুলে ভোররাতে একটি (Andhra Pradesh Bus Accident) মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ২০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। শুক্রবার ভোর সাড়ে তিনটার দিকে চিন্নাটেকুর গ্রামের কাছে ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়কে একটি বেসরকারি বাসের সঙ্গে একটি বাইকের সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষের পরেই বাসে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়।
বাইকটি বাসের তেলের ট্যাঙ্কারের নিচে আটকে যায় (Andhra Pradesh Bus Accident)
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় বাইকটি বাসের তেলের ট্যাঙ্কারের (Andhra Pradesh Bus Accident) নিচে আটকে যায়। বাস সামান্য দূর এগোনোর পর বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুনের স্ফুলিঙ্গ বাসের তেলের ট্যাঙ্কে ছড়িয়ে পড়ে। ট্যাঙ্কের ঢাকনা খুলে যাওয়ায় তেলের বিস্ফোরণ পুরো বাসটিতে মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে দেয়।
স্বয়ংক্রিয় দরজা খুলতে ব্যর্থ (Andhra Pradesh Bus Accident)
যাত্রীদের একাংশ জানান, আগুন লাগার পর বাসের স্বয়ংক্রিয় দরজা খুলতে (Andhra Pradesh Bus Accident) ব্যর্থ হয়। অনেকেই মরিয়া হয়ে জানলা ভেঙে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। তবে ৪০ জন যাত্রীর মধ্যে অধিকাংশই আগুনে ঝলসে যান। দুর্ঘটনায় আহত বেশ কয়েকজনকে কুর্নুল সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শোক প্রকাশ
এই ঘটনায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নায়ডু শোক প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করেছেন।
পরিচয় শনাক্ত করা দুঃসাধ্য
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাসে থাকা যাত্রীদের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। দুর্ঘটনার সময় বাসে দুই শিশু উপস্থিত ছিলেন। তবে বাসের দুই চালকের খোঁজ এখনও মেলেনি। ধারণা করা হচ্ছে, সংঘর্ষের পর তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছেন। যাত্রীদের বয়ান অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় অনেকেই ঘুমাচ্ছিলেন। সহযাত্রীদের চিৎকারে তারা ঘুম ভেঙে আগুন দেখতে পান। পরিস্থিতি এমন হয়ে দাঁড়ায় যে, কিছু যাত্রী জানলা ভেঙে নিরাপদ স্থানে পৌঁছান। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের শরীর এতটাই পুড়ে গিয়েছে যে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে।
আরও পড়ুন: Chhath Puja 2025: আলোর স্রোতে সূর্য আরাধনা, ভোরের অর্ঘ্যে জীবনের জয়গান ছট পুজোয়
স্থানীয় প্রশাসন এবং উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছেন। তবে তেলের বিস্ফোরণ ও বাসের স্বয়ংক্রিয় দরজার ব্যর্থতার কারণে দুর্ঘটনার পরিমাণ আরও ভয়াবহ হয়ে দাঁড়ায়।


