Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: জেফ্রি এপস্টিন মামলায় এবার জড়াল ইংরেজ রাজ পরিবারের নাম। রাজা চার্লসের ভাই প্রাক্তন প্রিন্স অ্যান্ড্রু তথা অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরকে গ্রেফতার করল ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ(Andrew Arrest)। জেফ্রি এপস্টিন মামলার নতুন করে প্রকাশিত নথি ও প্রমাণের ভিত্তিতে জারি থাকা তদন্তের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তার সঙ্গে এপস্টিনের সম্পর্ক নিয়ে যে বিতর্ক চলছিল, এই গ্রেফতার সেই বিতর্ককে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
শিরোনামে হ্যারি-মেগান (Andrew Arrest)
ঘটনার পর ফের আলোচনায় এসেছে প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেলের সঙ্গে রাজপরিবারের টানাপোড়েন। ২০২০ সালে রাজকীয় দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন হ্যারি ও মেগান। তারা বারবার ইঙ্গিত দিয়েছেন, রাজপরিবারের ভেতরে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও নৈতিকতার প্রশ্নে তাদের গভীর মতপার্থক্য ছিল। ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও অ্যান্ড্রুর রাজপরিবারে উপস্থিতি তাদের অস্বস্তি বাড়িয়েছিল।
অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে হ্যারির অভিযোগ
হ্যারির আত্মজীবনী ‘স্পেয়ার’-এ তিনি উল্লেখ করেন, যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠলেও অ্যান্ড্রুর সরকারি নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়নি। অথচ রাজকীয় দায়িত্ব ছাড়ার পর হ্যারি ও মেগানের নিরাপত্তা সুবিধা তুলে নেওয়া হয় এবং কানাডায় তাদের ঠিকানাও প্রকাশ্যে আসে। হ্যারি লেখেন, অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও অ্যান্ড্রুর ক্ষেত্রে যে আচরণ করা হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে তা হয়নি।
কাঠগড়ায় অ্যান্ড্রু (Andrew Arrest)
ভার্জিনিয়া জিউফ্রে ২০১৪ সালে অভিযোগ করেন, কিশোরী অবস্থায় এপস্টিনের মাধ্যমে তাকে অ্যান্ড্রুর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে বাধ্য করা হয়েছিল। ২০২২ সালে এই অভিযোগের একটি দেওয়ানি মামলা আদালতের বাইরে সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়; অ্যান্ড্রু কোনও দোষ স্বীকার করেননি।
আরও পড়ুন: Dharmatala Bus Depot: অবশেষে কাটল জোকা-এসপ্ল্যানেড মেট্রো জট: ধর্মতলায় চালু নয়া সরকারি বাস ডিপো
বিতর্ক উসকে দিয়েছে গ্রেফতারি (Andrew Arrest)
২০১৯ সালে বিতর্কিত বিবিসি সাক্ষাৎকারের পর অ্যান্ড্রু জনসমক্ষে রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক নথি পর্যালোচনায় নতুন তথ্য সামনে আসার পর তার গ্রেফতারর রাজতন্ত্র ও নৈতিক জবাবদিহি নিয়ে আবারও তীব্র বিতর্ক উসকে দিয়েছে।



