Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: যুবভারতী কেলেঙ্কারির বিতর্কের আবহে অরূপ বিশ্বাস (Aroop Biswas Resigns) পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। ক্রীড়ামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে চেয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে তিনি শুধু ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দফতর থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন।
ইস্তফাপত্রের ছবি (Aroop Biswas Resigns)
মঙ্গলবার তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়ায় অরূপ বিশ্বাসের (Aroop Biswas Resigns) ইস্তফাপত্রের ছবি প্রকাশ করেন। যদিও চিঠিতে মন্ত্রীর স্বাক্ষর দেখা যায়নি, তবুও টালিগঞ্জের অরূপ-ঘনিষ্ঠ নেতারা জানান, হাতে লেখা চিঠি প্রায় হুবহু মন্ত্রীর মতোই। চিঠিতে সোমবার, ১৫ ডিসেম্বরের তারিখ উল্লেখ রয়েছে।
নবান্নে তলব (Aroop Biswas Resigns)
অরূপের ইস্তফার পর ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দফতরের (Aroop Biswas Resigns) উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নবান্নে তলব করা হয়। কর্মকর্তারা দুপুরে সেখানে পৌঁছে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সূত্রের খবর, যুবভারতীতে ঘটে যাওয়া কেলেঙ্কারি এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে দফতরের অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।

যুবভারতী কেলেঙ্কারির সূত্রপাত
যুবভারতী কেলেঙ্কারির সূত্রপাত হয় শনিবার। সেই ঘটনার পর থেকেই অরূপ বিশ্বাস ফুটবলপ্রেমী জনতার সমালোচনার মুখে পড়েন। ঘনিষ্ঠ মহল জানায়, অনেকেই আশা করেছিলেন যে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর এই ঘটনা কিছুটা চাপা পড়বে। তবে দেখা গেল, নির্বাচনী তালিকা প্রকাশের আগেই অরূপ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ক্রীড়ামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার চিঠি পাঠিয়ে দেন।
রাজীব কুমারকে শোকজ
এদিকে, যুবভারতী কেলেঙ্কারিতে প্রাক্তন বিচারপতি অসীমকুমার রায়ের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক রাজীব কুমারকে শনিবারের ঘটনার বিষয়ে শোকজ করা হয়েছে। বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারকেও একইভাবে শোকজ করা হয়েছে, আর ডিসি অনীশ সরকারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের উপর নবান্নের এই পদক্ষেপের কয়েক মিনিটের মধ্যেই তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল অরূপের ইস্তফাপত্রের খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান।
আরও পড়ুন: Mamata on SIR: মুখ্যমন্ত্রীর নিজের কেন্দ্রেই এত নাম বাদ পড়ল
তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী যথাযথ তদন্তের ব্যবস্থা করেছেন এবং রাজধর্ম পালন করেছেন। মুখপাত্রের বক্তব্য, “সিপিএম জমানায় ১৯৮০ সালে ইডেনে ১৬ জনের মৃত্যু বা ১৯৯৬ সালের ইডেন বিশৃঙ্খলার সময় বাম সরকার কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। তবে যুবভারতী কেলেঙ্কারির ঘটনা গুরুতর, মুখ্যমন্ত্রী যথাযথ তদন্ত করিয়ে রাজধর্ম পালন করেছেন।”


