Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ঝামেলায় জড়াতে দেখা যায় দুই দলের ক্রিকেটারদের (Arshdeep Singh)।
মাঠেই ঝামেলায় জড়ালেন মিচেল-অর্শদীপ (Arshdeep Singh)
‘In the heat of the moment’, এই প্রচলিত বাগধারার সাথে সকলেই কমবেশি পরিচিত। এমন সময় অনেক ঘটনা ঘটে যায় এমন মুহূর্তে। বিশ্বকাপের ফাইনাল এমনিই সেই সময় উত্তেজনার পারদ তখন বাড়ছে। ভারতের আবার ঘরের মাটিতে বিশ্বকাপ, আর পরিসংখ্যান বলছে কোনও দেশ ঘরের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতেনি। সেই উত্তেজনার মাঝেই ঝামেলায় জড়ালেন দুই দেশের ক্রিকেটার। যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চা চলছে (Arshdeep Singh)।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ততক্ষণে ভারতের ব্যাটিং হয়ে গিয়েছে। রানের দিক থেকে ভারত অনেকটাই সেফ জোনে। ব্যাট করতে নেমেও নিউ জিল্যান্ড সেই ভাবে দলকে ভরসা জোগাতে পারেনি কিন্তু সেই সময়ে ২২ গজে রয়েছেন মিচেল। যার প্রতিভা এবং দক্ষতার সঙ্গে এতদিনে পরিচয় হয়ে গিয়েছে ক্রিকেটবিশ্বের। একপেশে এই ম্যাচে ঝামেলায় জড়ালেন অর্শদীপ সিং এবং ড্যারিল মিচেল।

এগারো তম ওভারে নিউজিল্যান্ডের ইনিংস চলাকালীন অর্শদীপ বল ছুড়ে মারেন মিচেলের দিকে। অর্শদীপের ছোড়া বল আঘাত করে মিচেলের শরীরে। উইকেটে ছুঁড়ে মারতে গিয়ে সেই বল গিয়ে মিচেলের গায়ে আঘাত করে। আর তাতেই খেপে যান মিচেল। এরপরেই সূর্যকুমার যাদবকে দেখা যায় মিচেলের সঙ্গে কথা বলতে। এবং এরপরে অর্শদীপ ও ড্যারিল মিচেলকে কথা বলতে দেখা গিয়েছে। সৌজন্য বিনিময় করেছেন দুই ক্রিকেটার (Arshdeep Singh)।

তবে অনেকের মতেই অর্শদীপের বল ছোড়া ঠিক হয়নি। তবে অনেকের মতেই আবার উত্তেজনার মুহূর্তে এরকম ভুল হয়ে যায়। তবে হঠাৎ কেন বল ছুঁড়ে বসলেন অর্শদীপ? তার উত্তরে তিনি বলেন, ‘মিচেলকে সরি বলতে গিয়েছিলাম। আমার থ্রো বেশি রিভার্স সুইং করেছিল। আমি ওকে বলছিলাম, আমি ইচ্ছাকৃতভাবে ওকে বল মারিনি। আমার থ্রো অতোটা রিভার্স সুইং করবে ভাবিনি।’
আরও পড়ুন: Rinku Singh: বাবার স্মরণে আবেগঘন পোস্ট রিঙ্কুর
অর্শদীপ এও বলেছেন, ‘এই দলটা দুর্দান্ত। এই দলে প্রচুর ম্যাচ উইনার রয়েছে। শুরু থেকেই আমাদের মধ্যে বিশ্বাস ছিল যে আমরা পারব।’ এরপর তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয় বিশ্বজয়ের অনুভূতি কেমন? সেই প্রশ্নের জবাবে অর্শদীপ বলেন, ‘এখন আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয় অনুভূতি কেমন। এখন ভালই লাগছে। কিন্তু আবেগটা যখন চলে যাবে তখন বুঝতে পারব।’
একই মাঠ, একই গ্যালারি, তবু গল্পটা এবার অন্য। আহমেদাবাদেই সূর্যোদয় হল। ২০২৩ সালের পর যে দিনটার অপেক্ষার দিন গুনছিলেন ভারতবাসী (Arshdeep Singh)।


