Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পশ্চিম এশিয়ার অস্থির পরিস্থিতির (Bangladesh Fuel Crisis) প্রভাব এবার পড়েছে দক্ষিণ এশিয়াতেও। জ্বালানির সঙ্কটে বিপাকে পড়েছে প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ। এই কঠিন সময়ে তাদের পাশে দাঁড়াল ভারত। সূত্রের খবর, নয়া দিল্লি ইতিমধ্যেই প্রায় পাঁচ হাজার টন ডিজেল পাঠিয়েছে বাংলাদেশে, যাতে সেখানে জ্বালানির ঘাটতি কিছুটা কমানো যায়।
পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন (Bangladesh Fuel Crisis)
রাজধানী ঢাকা-র বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে (Bangladesh Fuel Crisis) দেখা গিয়েছে দীর্ঘ লাইন। গাড়ি, মোটরবাইক ও অন্যান্য যানবাহনের চালকেরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন জ্বালানি পাওয়ার আশায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তও নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
ভারতের সাহায্যের হাত (Bangladesh Fuel Crisis)
সম্প্রতি বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তারেক রহমান। তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সম্পর্ক ধীরে ধীরে উন্নতির পথে এগোচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতেই জ্বালানির ঘাটতি দেখা দেওয়ায় ভারত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বলে জানা গেছে।
কত পরিমান ডিজেল পাঠানো হয়েছে?
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে আগে থেকেই একটি জ্বালানি সরবরাহ সংক্রান্ত চুক্তি রয়েছে। সেই চুক্তির আওতায় প্রতি বছর পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজেল বাংলাদেশে পাঠানোর কথা। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই ব্যবস্থার অংশ হিসেবেই পাঁচ হাজার টন ডিজেল পৌঁছেছে ঢাকায়।
আরও পড়ুন: Iran Attack: ইরানে স্কুলে হামলা: টোমাহক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে নয়া বিতর্ক
এই জ্বালানি সরবরাহ করা হয়েছে ইন্ডিয়া বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন-এর মাধ্যমে, যার কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালে। জানা গিয়েছে, আসামের Numaligarh Refinery Limited থেকে এই জ্বালানি পাঠানো হয়েছে। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কটের অন্যতম কারণ পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত। বিশেষ করে Strait of Hormuz অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি পরিবহণে বড় ধাক্কা লেগেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল ও জ্বালানি বিভিন্ন দেশে পৌঁছায়।


