Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাংলাদেশের রাজনীতি ও বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে নথিভুক্ত হতে চলেছে (Bangladesh)। আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ আজ ঘোষণা করবে শেখ হাসিনা-সহ তিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলার রায়দানের তারিখ। এই মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও প্রাক্তন পুলিশকর্তা চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

মামলার প্রেক্ষাপট (Bangladesh)
তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল। বিরোধী শিবিরের দাবি, হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার সাধারণ মানুষের উপর দমননীতি চালিয়েছিল এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে ব্যবহার করে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘন ঘটায়। অন্যদিকে, চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, যিনি একসময় পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন, বর্তমানে রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন, যা মামলার গতিপথে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
উত্তেজনার আবহে ঢাকা (Bangladesh)
আজ সকাল থেকেই থমথমে ঢাকা শহর। রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা, দোকানপাট বন্ধ, যানবাহন চলাচল সীমিত। শহরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সংযোগস্থলে পুলিশ, সেনা ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB) মোতায়েন করা হয়েছে। মোট ১৭ হাজার নিরাপত্তাকর্মী আজ রাজধানীতে টহলে রয়েছেন। এমনকি সকাল ৮টা থেকেই সেনা টহল শুরু হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শহরজুড়ে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে, এবং রাতভর হোটেল, মেস ও রাস্তায় তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। রাজধানীর বাইরে গাজিপুর ও নারায়ণগঞ্জেও বিশেষ নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সহিংসতা (Bangladesh)
রায় ঘোষণার আগের রাতেই ঢাকায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বোমা বিস্ফোরণ, গাড়িতে আগুন লাগানো, এবং মশাল মিছিল হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের বিরোধিতা করে আওয়ামী লিগের সদস্য ও সমর্থকরা বিক্ষোভে নামেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এদিকে, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লিগ ঘোষণা দিয়েছে, আজ তারা ঢাকাকে লকডাউন করবে। এতে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, রাজধানীতে বড় অশান্তি দেখা দিতে পারে।
আরও পড়ুন: Red Fort Blast 2025: পুলওয়ামার ডঃ উমরই কি সেই ‘মৃত স্টিয়ারিংম্যান’?
সীমান্তে কড়া নজর
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার প্রভাব সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতেও পড়তে পারে বলে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (BSF) ও বাংলাদেশের বর্ডার গার্ড (BGB) যৌথ নজরদারি বৃদ্ধি করেছে। সীমান্ত শহরগুলোতে সাধারণ নাগরিকদের চলাফেরায় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।



