Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নির্বাচনের আর মাত্র দুদিন বাকি। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের আগে মঙ্গলবার মধ্যরাতে বাংলাদেশে সব ধরনের রাজনৈতিক প্রচার শেষ হয়েছে(Bangladesh Vote)। নির্বাচন আচরণবিধি কার্যকর হওয়ায় এখন আর কোনও দল বা প্রার্থী প্রকাশ্যে প্রচার চালাতে পারবে না। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশজুড়ে সভা, রোডশো ও টেলিভিশন ভাষণের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে শেষবারের মতো নিজেদের বার্তা পৌঁছে দিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো।
মূলত দ্বিমুখী লড়াই (Bangladesh Vote)
এই নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাসনের পর এই ভোট অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামি লিগ নির্বাচনের বাইরে থাকায় লড়াই মূলত দুই শিবিরে সীমাবদ্ধ। একদিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন জোট, অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামিকে কেন্দ্র করে গঠিত একটি জোট।
ফলাফল নিয়ে অনিশ্চয়তা
সাম্প্রতিক জনমত সমীক্ষাগুলোতে ভোটের ফল নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। একটি সমীক্ষায় বিএনপিকে স্পষ্টভাবে এগিয়ে দেখানো হয়েছে, অন্য আরেকটি জরিপে জামায়াত জোট খুব অল্প ব্যবধানে পিছিয়ে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। আবার তৃতীয় একটি জরিপে বিএনপির বড় জয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এর পিছনে ভোটারদের মতামতের চেয়ে সমীক্ষা পদ্ধতির পার্থক্যকেই বেশি তুলে ধরে, যা ফলাফল নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান (Bangladesh Vote)
এবারের নির্বাচনে ভোট দেবেন প্রায় ১২৮ মিলিয়ন মানুষ। ভোটারদের প্রধান উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক সংকট। বিএনপি ও জামায়াত উভয় দলই তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বলেছে। মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনে বড় চাপ সৃষ্টি করেছে, আর মহামারি ও রাজনৈতিক অস্থিরতার পর অর্থনৈতিক বৃদ্ধি মন্থর হয়ে পড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে পোশাক শিল্পে, বেড়েছে বেকারত্ব।
আরও পড়ুন: SIR Vote Process: মার্চের শুরুতেই রাজ্যে ভোট ঘোষণা? হবে তিন দফায় ভোট ?
আওয়ামি সমর্থকদের অনেকেই দ্বিধায় (Bangladesh Vote)
আওয়ামি লিগ নিষিদ্ধ থাকায় তাদের সমর্থকদের অনেকেই দ্বিধায় পড়েছেন অন্য দলে ভোট দেবেন, নাকি ভোট থেকে দূরে থাকবেন। এসব বাস্তবতার মধ্যেই এই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার বড় পরীক্ষা হয়ে উঠতে চলেছে।



