Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দুরন্ত পারফরম্যান্সেও শেষরক্ষা হল না, জয়ের সুযোগ থাকলেও সেটা অধরাই থেকে গেল (Belgium vs Egypt)।
‘হানি-কারক’ হানি (Belgium vs Egypt)
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ নিজস্ব গতিতে বহমান। বুটের শব্দ আর গ্যালারি জুড়ে সমর্থকদের গর্জন এক মায়াবী রূপকথার গল্প বলছে। যেখানে নির্দিষ্ট বলে কিছু নেই, স্থির বলে কিছু নেই। ময়দানে বল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে যাচ্ছে যাবতীয় হিসেব। সেই বিশ্বকাপে ঘটে গেল পরপর অঘটন, যার রেশ এখন নিয়মিত হেডলাইনে উঠে আসবে (Belgium vs Egypt)।
বিশ্বকাপ শুরুর কয়েকদিনের মধ্যেই ঘটে গিয়েছে জোড়া অঘটন। নেদারল্যান্ডসকে আটকে এশীয় সূর্যোদয় ঘটিয়েছে সামুরাই নামে খ্যাত জাপান। আবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনকে গোলের খাতাই খুলতে দেয়নি কেপ ভার্দে, যা বলা যায় সবচেয়ে বড় অঘটন এখনও পর্যন্ত। গোলশূন্য ড্র করে বুঝিয়ে দিয়েছে, এই মহারণের মঞ্চে অসম্ভব বলে কিছু নেই অথবা অসম্ভবের দেওয়াল ভাঙা যায় যদি মনের মধ্যে অদম্য জেদ থাকে।
সেই সোমবার গভীর রাত বা মঙ্গলবার দিন হিসেবে যেটাই ভাবুন না কেন বেলজিয়াম আর মিশরের ম্যাচে ঘটে যেতে পারত আরেকটি অঘটন। নিজের দেশের জন্য জয়ের উপহার সাজানো প্রায় শেষ এমন সময় দ্বিতীয়ার্ধে বেঞ্চ থেকে মাঠে নামা রোমেলু লুকাকুকে আটকাতে গিয়ে হানির ভুলে সেই উপহার ‘মাঠে মারা’ গেল।
আরও পড়ুন: Bhagwant Akal Takht: বিতর্কিত ভিডিয়ো: ভগবন্ত মানকে ‘গুরু-বিরোধী’ ঘোষণা অকাল তখতের
২০১৮ সালের কথা আশা করি সব ফুটবলপ্রেমীদের মনে আছে। সেই বছর বিশ্বকাপে হ্যাজার্ড, লুকাকুদের সৌজন্যে স্মরণীয়। এবার সেই হ্যাজার্ড দলের সহকারী কোচ আর স্কোয়াড লুকাকু থাকলেও ছিলেন না প্রথম একাদশে। শুরুতে বল পজেশনের দিকে থেকে দেখলে এগিয়ে ছিল বেলজিয়াম। কিন্তু তাঁদের কঠিন টক্কর দিতে থাকে মিশর। আক্রমণ বিভাগ বারবার সমস্যা তৈরি করে আর সুফল মেলে ২০ মিনিটে। রাইট উইং থেকে সালাহর দুরন্ত পাশ থেকে নিখুঁত গোলে মিশরকে এগিয়ে দেন অশোর। সেই সময় মিশরের সমর্থকরা ভাসতে থাকেন আবেগে।
তবে দ্বিতীয়ার্থে ৫৭ মিনিটের মাথায় ব্যবধান বাড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন মারমোস। বক্সের ভিতর থেকে সালাহর নেওয়া শট গ্রিপ বা ফিস্ট না করে সামনে ঠেলে দেন বেলজিয়াম গোলকিপার কুর্তোয়া। সেই সুযোগকে কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন ইজিপশিয়ন ফরোয়ার্ড আর যদি এমনটা না হয়ে গোল হত তবে লেখা হত এক নতুন মিশরীয় সভ্যতার কাহিনী।
তবে লুকাকু নামতেই যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন বেলজিয়ামের দর্শকরা কারণ ততক্ষণে তাঁদের হৃদ কম্পন ক্রন্দনে পরিণত হয়েছে। যেকোন মিটার সেটা সহজেই ডিটেক্ট করতে পারবে। বেলজিয়ামের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার লুকাকুকে রুখতে গিয়েই নিজেদের জালে জড়িয়ে ফেলেন মহম্মদ হানি আর এই আত্মঘাতী গোলেই জয় হাতছাড়া হয় মিশরের (Belgium vs Egypt)


