Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অন্ধ্রপ্রদেশের বিরুদ্ধে ইনিংস ও ৯০ রানে দাপুটে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে বাংলা। রঞ্জি ট্রফির শেষ চারে জায়গা করে নিলো সুদীপরা (Bengal)।
রঞ্জির সেমিতে বাংলা (Bengal)
চতুর্থ দিনেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল খেলার ফলাফল। ছিল শুধু মাত্র সময়ের অপেক্ষা। রঞ্জির সেমিফাইনালের থেকে আর একধাপ দূরে ছিল বাংলা। অন্ধ্রপ্রদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ জেতার জন্য বাংলার আর দরকার ছিল ৭ উইকেট। অন্ধ্রের হয়ে নীতিশ কুমার রেড্ডি কিছুটা লড়াই চালিয়ে গেলেও শেষরক্ষা হলো না। ৯০ রানে আউট হন তিনি। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৭টি চার ও ২টি ছয় (Bengal)। ৪৬ রান করেন লোয়ার অর্ডারে নামা ত্রিপূর্ণ বিজয়। বাকি আর কেউ তেমন বাংলার বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি।
৩৩৪ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে ২৪৪ রানে অল আউট হয়ে যায় অন্ধ্রপ্রদেশ। ইনিংস ও ৯০ রানে জয় তুলে নেয় বাংলা। বল হাতে কামাল দেখালেন অভিজ্ঞ স্পিনার শাহবাজ আহমেদ। তিনি নিলেন চার উইকেট। সুরজ সিন্ধু জয়সওয়াল নিয়েছেন ২ উইকেট। এই ম্যাচ জিতে রঞ্জির সেমিফাইনালে প্রবেশ করল বাংলা।
বাংলার এই বিশাল রানের নেপথ্য নায়ক সুদীপ ঘরামী। একার কাঁধে দলের দায়িত্ব তুলে নেন তিনি। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে বাংলার। সেই সময় ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে সুদীপ কুমার ঘরামি ও সুমন্ত গুপ্ত ৩৩৮ বলে ১৬৫ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ম্যাচে ফেরান বাংলাকে। অন্য প্রান্তে এরপর নিয়মিত উইকেট পড়তে থাকলেও সুদীপ একা হাতে আগলে রাখেন অন্য দিক। তবে এক রানের জন্য হাতছাড়া হয় ৩০০ রান। ২৯৯ রানে তাঁকে ফিরতে হয় সাজঘরে। ১৯৯৮ সালে করা দেবাঙ্গ গান্ধীর ৩২৩ রানের রেকর্ড অল্পের জন্য হাতছাড়া হয় সুদীপের। তাঁর ইনিংস সাজানো রয়েছে ৩১টি চার ও ৬টি ছয় দিয়ে।

আরও পড়ুন: Aakash Chopra: বোর্ডের নতুন কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকা নিয়ে প্রশ্ন প্রাক্তনের
এই ম্যাচে হাত খুলে খেলতে দেখা গিয়েছিল মহম্মদ সামিকে। অন্ধ্রের বোলারদের দিশাহীন অবস্থা সেই সময়ে। মাত্র ৩০ বলে অর্ধশতরান করেন সামি। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৭টি চার ও তিনটি ছয়। অবশেষে ৩৩ বলে ৫৩ রান করে আউট হন তিনি। ৬২৯ রানে শেষ হয় বাংলার ইনিংস (Bengal)।


