Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মহারাষ্ট্রে ফের এক মর্মান্তিক (Migrant Worker Death) ঘটনায় উদ্বেগ ছড়াল বাংলায়। পুণেতে কর্মরত পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিক সুখেন মাহাতোর মৃত্যুকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে। পুরুলিয়ার বান্দোয়ানের বাসিন্দা সুখেন কাজের সূত্রে দীর্ঘদিন ধরে পুণেতে থাকতেন। অভিযোগ, শুধুমাত্র বাংলায় কথা বলার কারণেই তাঁকে নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় শোক, ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সমাজমাধ্যমে পোস্ট মুখ্যমন্ত্রীর (Migrant Worker Death)
শনিবার সকালে সমাজমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে (Migrant Worker Death) মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই বর্বর হত্যাকাণ্ডে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত। তাঁর কথায়, সুখেনকে তাঁর ভাষা, পরিচয় এবং শিকড়ের জন্য অত্যাচার করে হত্যা করা হয়েছে, যা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি নিহতের পরিবারের পাশে রাজ্য সরকার রয়েছে বলেও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী (Migrant Worker Death)
সুখেন মাহাতো ছিলেন পরিবারের একমাত্র (Migrant Worker Death) উপার্জনকারী। তাঁর অকালমৃত্যুতে পরিবার কার্যত ভেঙে পড়েছে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং সব রকম সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেয়। যদিও এখনও পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং অভিযুক্তদের পরিচয় স্পষ্ট নয়, তবে সুখেনের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন মিলেছে বলে জানা যাচ্ছে।

নতুন ঘটনা নয়
এই ঘটনা নতুন নয় বলে অভিযোগ রাজনৈতিক মহলের। সাম্প্রতিক সময়ে মহারাষ্ট্র-সহ একাধিক রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর হামলা ও হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে। গত মাসেই মহারাষ্ট্রে কাজ করতে যাওয়া এক বাঙালি শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরেও একই ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছিল। সেই সময়ও ভাষাগত পরিচয়কে কেন্দ্র করে বিদ্বেষের অভিযোগ উঠেছিল।
আরও পড়ুন: Bangladesh Election: নির্ধারিত সময়েই শুরু বাংলাদেশের ভোট, সকাল থেকেই বুথে ভোটারদের লাইন
ভিনরাজ্যে বাংলার শ্রমিকরা নিরাপদ?
পরপর এমন ঘটনার জেরে প্রশ্ন উঠছে, ভিনরাজ্যে কাজ করতে যাওয়া বাংলার শ্রমিকরা কতটা নিরাপদ? সুখেন মাহাতোর মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের ক্ষতি নয়, বরং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কাজ করতে যাওয়া লক্ষ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিকের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগের বার্তা দিচ্ছে।


