Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: স্থানীয় বিধায়ক ও স্বাস্থ্য কর্তাদের সঙ্গে নিয়ে হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে চূড়ান্ত অব্যবস্থা দেখে ক্ষুব্ধ জেলা প্রশাসন, যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে নোংরা আবর্জনা (Bishnupur), হাসপাতালের চাঙ্গর খসে পড়ছে, যেখানে সেখানে গুটকা ও পানির পিক, সিগারেটের টুকরো, টাকা নিয়ে হাসপাতালে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করিয়েছে তৎকালীন বিধায়ক ঘনিষ্ঠরা দাবি এক অস্থায়ী কর্মীর ।

হাসপাতাল পরিদর্শন (Bishnupur)
স্থানীয় বিধায়ক ও স্বাস্থ্য কর্তাদের সঙ্গে নিয়ে হাসপাতাল পরিদর্শন করতে গিয়ে চূড়ান্ত অব্যবস্থা দেখে বেজায় ক্ষুব্ধ বাঁকুড়া জেলা প্রশাসনের কর্তারা। আজ বাঁকুড়ার জেলা শাসক অনিশ দাদগুপ্তর নেতৃত্বে বিষ্ণুপুরের বিধায়ক ও স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতাল পরিদর্শনে যান। সেখানে যত্রতত্র আবর্জনার স্তুপ, পরিকাঠামোর চূড়ান্ত ঘাটতি ও ব্লাড ব্যঙ্কে রক্তের জন্য হাহাকার দেখে নিজেদের ক্ষোভ চেপে রাখতে পারেনি প্রশাসন ও বিধায়ক।
চিকিৎসার পরিসেবা (Bishnupur)
চিকিৎসার ব্যপারে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালের উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল বিষ্ণুপুর মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ। এছাড়াও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সীমানাবর্তী একটা বড় অংশের মানুষ প্রতিদিন চিকিৎসা পরিসেবা নিতে ছুটে আসেন এই হাসপাতালে। সেই হাসপাতালেই চিকিৎসা পরিসেবা নিতে এসে এতদিন ধরে চূড়ান্ত নাকাল হতে হচ্ছিল সাধারণ মানুষকে।
শীর্ষ স্তরের নির্দেশে (Bishnupur)
রাজ্যে পালা বদলের পর সরকারের শীর্ষ স্তরের নির্দেশে আজ সেই হাসপাতাল পতিদর্শনে ছুটে যান বাঁকুড়ার জেলা শাসক অনিশ দাসগুপ্ত ও বিষ্ণুপুরের নব নির্বাচিত বিধায়ক শুক্লা চট্টোপাধ্যায় সহ স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা। হাসপাতালের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে চিকিৎসা পরিসেবার হাল হকিকত খতিয়ে দেখেন তাঁরা। প্রতিটি ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা রোগী ও রোগীর পরিজনদের সঙ্গে কথাও বলেন তাঁরা।

জমে থাকা আবর্জনার স্তুপ (Bishnupur)
পরিদর্শনের সময় তাঁদের নজরে পড়ে হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় জমে থাকা আবর্জনার স্তুপ। হাসপাতালের সর্বত্র বৈদ্যুতিক পাখা না থাকায় প্রবল গরমে রোগীদের হাঁসফাঁস অবস্থা নজরে পড়ে তাঁদের। মজুত রক্ত না থাকায় হাসপাতালের ব্লাডব্যঙ্কে রোগী ও রোগীর পরিজনদের হাহাকারও নজরে আসে জেলা শাসক, বিধায়ক ও স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকদের।
সংস্থার কর্মীদের ভিন্ন ধরনের সমস্যা
এছাড়াও হাসপাতালের সাফাই এর কাজে যুক্ত ঠিকা সংস্থার কর্মীদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা ও চিকিৎসক সহ চিকিৎসা কর্মীদের দুর্ব্যবহার নিয়েও বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ উঠে আসে আধিকারিকদের কাছে। সব মিলিয়ে বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হাসপাতালের এই অব্যবস্থায় বেজায় ক্ষুব্ধ জেলা শাসক থেকে শুরু করে স্থানীয় বিধায়ক।
সরকারের দাবি করে (Bishnupur)
বিধায়ক বলেন বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে দুর্নীতি ও সিন্ডিকেট রাজ চলছে। যে কারণেই দুর্গাপুরে গতকাল মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠকে বিষ্ণুপুরের বিধায়ক শুক্লা চ্যাটার্জী নালিশ করেন। এরপরই তড়িঘড়ি কাজ। আজ হাসপাতাল চত্বরে এই ভিজিট। জেলাশাসক এবং বিধায়ক কে পেয়ে নিজেদের সমস্যার কথা বলেন রোগী এবং রোগীর আত্মীয়রা। দ্রুত বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালের হাল ফেরাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।
আরও পড়ুন: RG Kar Case: আরজি কর কাণ্ডে ফের বড় পদক্ষেপ! ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নতুন সিট গঠন
পাশাপাশি বিষ্ণুপুর হাসপাতালের এক অস্থায়ী সিকিউরিটি কর্মী বিস্ফোরক অভিযোগ করে। তিনি বলেন তৎকালীন বিধায়কের ঘনিষ্ঠরা টাকা নিয়ে এখানে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করতে।



