Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অবশেষে বিজেপিতে(BJP)সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচন হতে চলেছে। আজ, সোমবার থেকেই শুরু হচ্ছে মনোনয়ন জমা ও স্ক্রুটিনির প্রক্রিয়া। আগামীকাল মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন জাতীয় সভাপতির নাম ঘোষণা করা হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির সমস্ত মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্য ইউনিটের সভাপতি এবং দলের শীর্ষ ও সিনিয়র নেতাদের দিল্লিতে দলীয় সদর দফতরে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দিল্লিতে শীর্ষ নেতৃত্বের জমায়েত(BJP)
দলের জাতীয় সভাপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে ঘিরে সোমবার থেকেই রাজধানীতে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। বিজেপির(BJP) কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মনে করছে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে সংগঠনের ভিত আরও মজবুত হবে এবং আসন্ন রাজনৈতিক লড়াইয়ের আগে ঐক্যের বার্তা দেওয়া যাবে।
নীতিন নবীনই কি পরবর্তী সভাপতি?(BJP)
যদিও নির্বাচন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে, রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে—কার্যনির্বাহী জাতীয় সভাপতি নীতিন নবীনই বিজেপির পরবর্তী সভাপতি হতে চলেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নীতিন নবীনের পদোন্নতিকে সামনে রেখে বিজেপি সাংগঠনিক ঐক্য ও প্রজন্ম পরিবর্তনের একটি বড় বার্তা দিতে চাইছে।
মনোনয়ন-ভোটের সময়সূচি
বিজেপির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৯ জানুয়ারি দুপুর ২টা থেকে ৪টার মধ্যে জাতীয় সভাপতি পদের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। একই দিনে বিকেল ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে মনোনয়নপত্রের যাচাই-বাছাই হবে। মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময় নির্ধারিত রয়েছে বিকেল ৫টা থেকে ৬টা। প্রার্থীর সংখ্যা একাধিক হলে ২০ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এবং সেদিনই ফল ঘোষণা করা হবে।
আরও পড়ুন: Chattisgarh: বাংলা বলার ‘শাস্তি’, ছত্তিশগড়ে ট্রেন থেকে নামিয়ে দেওয়া
সংবিধান অনুযায়ী যোগ্যতা
বিজেপির সংবিধান অনুযায়ী, কোনও রাজ্যের ইলেক্টোরাল কলেজের অন্তত ২০ জন সদস্য যৌথভাবে জাতীয় সভাপতি পদের জন্য প্রার্থী প্রস্তাব করতে পারেন। শর্ত অনুযায়ী, প্রার্থীকে অন্তত চার বছর ধরে দলের সক্রিয় সদস্য হতে হবে এবং কমপক্ষে ১৫ বছর আগে বিজেপির সদস্যপদ গ্রহণ করতে হবে। ৪৫ বছর বয়সে নীতিন নবীন বিজেপির সর্বকনিষ্ঠ জাতীয় সভাপতি হতে চলেছেন বলেই জল্পনা। এতে দলের দ্বিতীয় সারির কিছু নেতার মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। অনেকের আশঙ্কা, নীতিন সভাপতি হলে ধর্মেন্দ্র প্রধান, ভূপেন্দ্র যাদব, অশ্বিনী বৈষ্ণব ও নির্মলা সীতারামনের মতো অভিজ্ঞ নেতারা গুরুত্ব হারাতে পারেন। ফলে নীতিন নবীনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে এই ক্ষোভ সামলে দলের ভিতরে ভারসাম্য বজায় রাখা।
আরও পড়ুন: Uttar Pradesh: এসআইআরের জেরে যোগীরাজ্যে হঠাৎ কমল মহিলা ভোটার


