Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে কাশির সমস্যায়(Chronic Cough )ভোগেন, বিশেষ করে ঠান্ডা, অ্যালার্জি বা ব্রঙ্কাইটিসে আক্রান্তরা। দিনের পর দিন ওষুধ খাওয়া যেমন স্বাস্থ্যকর নয়, তেমনি ব্যয়বহুলও বটে। তাই অতীতের মত অনেকেই আবার ঘরোয়া টোটকার দিকে ঝুঁকছেন। আমাদের মা-ঠাকুমার আমলে ব্যবহৃত একটি জনপ্রিয় ঘরোয়া পদ্ধতি হল – পান পাতা পুড়িয়ে তার ছাই মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া। এই প্রাচীন টোটকাটি আজও অনেক পরিবারে কাশির ঘরোয়া চিকিৎসা হিসেবে প্রচলিত।
পান পাতার ঔষধি গুণ(Chronic Cough)
পান পাতা শুধু পানের স্বাদ বাড়ায় না, বরং আয়ুর্বেদিক ও ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসায় এর বহু ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।
কফ নিরোধক: পান পাতায় থাকা প্রাকৃতিক উপাদান শ্লেষ্মা কমাতে সহায়তা করে। এটি শ্বাসনালী পরিষ্কার রাখে এবং কাশির(Chronic Cough) তীব্রতা কমায়।

অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও প্রদাহ বিরোধী: পান পাতা জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করতে পারে। এটি গলার প্রদাহ কমায় এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক।

মধুর প্রাকৃতিক চিকিৎসা গুণ(Chronic Cough)
মধু শুধু মিষ্টির উৎস নয়, বরং এক প্রাকৃতিক ওষুধ।
কাশি দমনকারী: গলার সংবেদনশীল টিস্যুতে মধু একটি সুরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে, যা গলার জ্বালা ও খুসখুসে কাশি(Chronic Cough)প্রশমিত করে।

জীবাণু প্রতিরোধকারী: মধুর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গুণ সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে, যা কাশির একটি মূল কারণ।
আরও পড়ুন: Sixth Sense: ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় কি সত্যিই আছে? মানবদেহে ‘সুপ্ত ইন্দ্রিয়’ খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা!
পান পাতা পোড়ানোর বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি
পান পাতা পুড়িয়ে ছাই তৈরি করে মধুর সঙ্গে খাওয়ার এই পদ্ধতির আধুনিক বৈজ্ঞানিক ভিত্তি এখনও অপ্রতিষ্ঠিত। তবে লোকজ চিকিৎসায় ধারণা করা হয়, পোড়ানোর ফলে পাতার কিছু উপাদান পরিবর্তিত বা ঘনীভূত হয়ে যায়, যা কার্যকারিতা বাড়াতে পারে। তবে কোনও জিনিস পুড়িয়ে ভস্ম তৈরি করলে তা ব্যবহারের আগে তার গুণগত মান ও সুরক্ষা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। সাধারণত পান পাতার রস বা পান পাতার চা বেশি নিরাপদ ও প্রচলিত।
আরও পড়ুন: Alzheimers dementia: ভুলে যাওয়ার শুধু কি আসলেই এক ভয়ংকর রোগের ইঙ্গিত?
পান পাতা পোড়ানো ও মধু মিশিয়ে খাওয়ার টোটকাটি প্রচলিত এবং অনেকেই এটিকে কার্যকর বলে বিশ্বাস করেন। বিশেষ করে দীর্ঘস্থায়ী কাশির ক্ষেত্রে এটি স্বস্তি দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এমন ঘরোয়া চিকিৎসা অল্পসময়ে উপশম দিতে পারে, তবে যদি সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয় বা বাড়তে থাকে, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।


