Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: লক্ষ্মী পুজোর দিন ভীষণই ব্যাস্ত থাকেন অভিনেত্রী ( Actress) দেবলীনা কুমার ( Devlina Kumar) । অভিনেত্রীর নাচের স্কুলে ( Dance School) হয় লক্ষ্মীপুজো। সরস্বতীর ( Swaraswati) আরাধনার বদলে কেন লক্ষ্মী পুজো ( Laxmi Puja) করেন নিজের নাচের স্কুলে?

নাচের প্রশিক্ষণ দেওয়া (Devlina Kumar)
অনেক ছোট বয়স থেকে অভিনেত্রী ( Actress) দেবলীনা কুমার ( Devlina Kumar) নাচের প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছেন। নাচ তাঁর প্রথম ভালোবাসা। তাঁর পড়াশোনা কাজকর্ম সবই নাচের উপর ভিত্তি করে। অভিনেত্রীর নাচের স্কুলটি ( Dance School) অভিনেত্রী ( Actress) ভীষণ যত্ন সহকারে তৈরি করেছিলেন। সেখানে প্রতিবছর বহু নতুন নতুন ছাত্রীরা আসেন এবং তাঁর কাছে নাচের প্রশিক্ষণ নেন। তাঁর সাথে রয়ে গেছেন পুরনো কিছু ছাত্রীরা, যারা দীর্ঘ ১৩-১৪ বছর ধরেই অভিনেত্রীর সাথে আছে।

লক্ষ্মী পুজো শুরুর কারণ (Devlina Kumar)
অভিনেত্রী ( Actress) ছোটবেলা থেকেই লক্ষ্মী ঠাকুরের আরাধনা করতেন। সেই কারণে নিজের নাচের স্কুলে অভিনেত্রী নিজের মেয়ের রূপেই নিয়ে এসেছিলেন মা লক্ষ্মীকে ( Laxmi) । সেই পুজোই বছরের পর বছর ধরে অভিনেত্রী করে যাচ্ছেন একই নিয়ম মেনে। লক্ষ্মী রূপী মেয়ের জন্য থাকে দেবলীনা কুমারের (Devlina Kumar) নাচের স্কুলের পুজোর কিছু অন্য নিয়ম। লক্ষ্মীপুজোর ( Laxmi Puja) দিন তাঁরা ভীষণই আনন্দিত থাকেন, কারণ বাড়িতে তাঁদের বন্ধু রূপী মেয়ের আগমন ঘটে ওই সময় । তাঁরা সারারাত জেগে থাকেন তাঁদের মেয়ের সাথে।

সরস্বতীর বন্দনা না করে, লক্ষ্মীর আরাধনা (Devlina Kumar)
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দেখা যায় সরস্বতী দেবীর বন্দনা হতে। কিন্তু এই ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। অভিনেত্রী দেবলীনা কুমার ( Devlina Kumar) লক্ষ্মী দেবীর আরাধনা করেন। কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোর দিন তাঁর মেয়েকে সাজিয়ে তোলেন নিজের মতো করে। তাঁর মেয়ের জন্য কেনেন পছন্দ মতো শাড়ি এবং লক্ষ্মীকে সাজান সুন্দর মার্জিত থিমের উপরে । বিয়ের বহু বছর আগে থেকে , অভিনেত্রী তাঁর নাচের স্কুলে লক্ষ্মী পুজো করতেন। সরস্বতী পুজোর থেকেও এই দিনটা বেশি ভাবে পালন করেন তাঁরা। সরস্বতী পুজো সেভাবে হয় না অভিনেত্রীর নাচের স্কুলে।

পুজোর সাজগোজ (Devlina Kumar)
লক্ষ্মী পুজোর দিন অভিনেত্রী ( Actress) ভীষণ চাপে থাকেন । পুজোর পাশাপাশি তাকে সামলাতে হয় ঐতিহ্যবাহী মহানায়কের ( Mahanayak) বাড়ির পুজো। শেষ পাঁচ বছর ধরে এই দুই বাড়িই সামলাতে হচ্ছে তাঁকে। প্রথমে অভিনেত্রী নিজের নাচের স্কুলের পুজো শেষ করেই পৌঁছে যান নিজের শশুর বাড়ির পুজোতে। সেই পুজোতেও সমান ভাবে অংশ নেন তিনি। এই ব্যস্ততার মাঝে তাঁর সাজগোজে কোনও কমতি থাকে না। নিজের নাচের স্কুলের পুজোতে বরাবরই তাঁকে দেখা যায় সাধারণ ঘরোয়া লুকে।
অভিনেত্রীর( Actresses) শ্বশুরবাড়ির পুজোতে দেখা যায় তিনি আটপৌড়ে করে শাড়ি পরে নাকে নথ পরেন। সাথে চুলে থাকে ফুলের মালা। লক্ষ্মী মাকে সাজানোর পাশাপাশি তিনি নিজেও সেজে ওঠেন অন্যরকম রূপে।
দুই বাড়ির পুজো সামলানো (Devlina Kumar)
লক্ষ্মী পুজোর দিন সকালটা অভিনেত্রীর (Actress) শুরু হয় মহানায়কের বাড়ির পুজোর নিয়ম দিয়ে। মহানায়কের বাড়ির পুজোর নিয়ম অনুযায়ী, বাড়ির বউকে গঙ্গাতে ডুবে ঘটে জল তুলে নিয়ে আসতে হবে এবং সেই জল দিয়েই ওই বাড়ির পুজো হয়। এই নিয়ম রক্ষার্থে প্রত্যেক বছরই সকাল বেলা অভিনেত্রী( Actress) পৌঁছে যান গঙ্গার ঘাটে এবং বাড়ির পুজোর জন্য তুলে আনেন জল । তারপরেই আসেন নিজের নাচের স্কুলে।
আরও পড়ুন:Sreemoyee Chattoraj : তিনশো ষাট ডিগ্রি ঘুরে গেছে জীবন, শ্রীময়ীর হাতে বিশেষ লক্ষ্মীলাভ
দেবলীনার অভিনব ভোগ
নাচের স্কুলের লক্ষ্মী পুজোর তোড়জোড় শুরু হয় আগের দিন রাত থেকেই। অভিনেত্রী ( Actress) রাতেই বানিয়ে রাখেন পায়েস থেকে শুরু করে নাড়ু এবং ছানার একটি বিশেষ মিষ্টি। সকাল বেলা থেকেই বানতে শুরু করে দেন খিচুড়ি ও অন্যান্য ভোগ ৷ এছাড়াও অভিনেত্রী( Actress) নাচের স্কুলের ভোগের একটি বিশেষত্ব থাকে। লক্ষ্মী মাকে বিভিন্ন রকম কোমল পানীয়( cold Drinks) চিপস্ ( Chips) বিস্কুটের ( biscuits) প্যাকেট দিয়ে থাকেন । এইরকম আয়োজনের কারণ হিসেবে অভিনেত্রী জানান , তাঁরা লক্ষ্মী মাকে মেয়ের রূপে দেখেন। আর মেয়ে বাড়ি এলে সারারাত জাগতে হয়। সারারাত জাগার জন্য এই সমস্ত খাবারের আয়োজন ভোগে দেন তাঁরা। সারারাত জেগে সকলে তাঁদের মেয়ে রূপী লক্ষ্মীর সামনেই গান-বাজনা ও গল্প করে থাকেন। দিনটিতে মেয়েকে একা রাখেন না কখনও।



