Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন-কে সামনে রেখে রাজ্য রাজনীতিতে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে (Dilip Ghoshs)। এই আবহেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন রিঙ্কু মজুমদার বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ-এর পত্নী। তিনি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী নন, তবে টিকিট পেলে জয়ের রূপরেখা প্রস্তুত এমন আত্মবিশ্বাসী দাবি ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

‘আমি জীবনে কখনও হারিনি’ (Dilip Ghoshs)
শুক্রবার রিঙ্কু মজুমদার প্রকাশ্যে বলেন, তিনি জীবনে কখনও হারেননি। টিকিট পেলে কীভাবে জিতবেন, সেটাই তাঁর চ্যালেঞ্জ। ব্যক্তিগত জীবনের সংগ্রামের কথাও তুলে ধরেন তিনি। মাত্র ১৮ বছর বয়স থেকে সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নেওয়া, দিল্লির মতো শহরে ঘরভাড়া দেওয়া, এমনকি প্রাক্তনের খরচ বহন এই অভিজ্ঞতাকেই তিনি নিজের লড়াইয়ের মূল পুঁজি হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট রাজনীতি তাঁর কাছে শুধুই ক্ষমতার লড়াই নয়, বরং আত্মপ্রতিষ্ঠার ধারাবাহিক চ্যালেঞ্জ।
দলীয় দপ্তরে জীবনপঞ্জি জমা (Dilip Ghoshs)
সূত্রের খবর, গত ৩১ জানুয়ারি তিনি বিজেপির সল্টলেক দপ্তরে নিজের জীবনপঞ্জি জমা দিয়েছেন। ওই সিভিতে তিনটি আসনে লড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বলে জানা যাচ্ছে, মেদিনীপুর শহর, বীজপুর, নিউটাউন, জীবনপঞ্জির শুরুতেই তিনি নিজেকে তৃণমূল স্তরের সক্রিয় নেত্রী এবং সামাজিকভাবে সক্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি বিজেপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে তাঁর ভূমিকা, সাংগঠনিক দায়িত্ব ও বর্তমান কাজের বিবরণও সেখানে তুলে ধরা হয়েছে। এ থেকে স্পষ্ট, তিনি কেবল পরিচয়ের জোরে নয়, দলীয় কাজের ভিত্তিতেই প্রার্থী হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন এমন বার্তা দিতে চেয়েছেন।

দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া (Dilip Ghoshs)
শুক্রবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণের সময় এই প্রসঙ্গে মুখ খোলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি জানান, রিঙ্কু বহুদিনের কর্মী এবং দলে তাঁর থেকেও পুরনো। হাজার হাজার আবেদন জমা পড়েছে, কে প্রার্থী হবেন তা দলই ঠিক করবে। দিলীপ ঘোষের বক্তব্যে ব্যক্তিগত সমর্থনের ইঙ্গিত থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যে দলীয় নেতৃত্বের, সেটাই স্পষ্ট করেছেন তিনি।
আরও পড়ুন: DA: ডিএ মেটানোর ডেডলাইন পার! আদালত অবমাননার অভিযোগে শীর্ষ আদালতে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা
বিজেপির প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া
বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির দপ্তরে বহু জীবনপঞ্জি জমা পড়ছে। এই প্রক্রিয়া প্রমাণ করে, দলে প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক আবেদন ও যাচাই প্রক্রিয়া গুরুত্ব পাচ্ছে। রিঙ্কু মজুমদারের আবেদন একদিকে যেমন ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষার ইঙ্গিত দেয়, অন্যদিকে তা রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও বহন করে, মহিলা নেতৃত্বকে সামনে আনার সম্ভাবনা, সাংগঠনিক স্তরে দীর্ঘদিন কাজ করা কর্মীদের সুযোগ দেওয়ার দাবি, পরিচিত রাজনৈতিক পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণ



