Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল : মার্কিন সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (ডিআইএ)-র প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেফ্রি ক্রুজ়কে বরখাস্ত করল ট্রাম্প প্রশাসন (US Military Cheif)। শুধু জেফ্রি নন, একসঙ্গে নৌসেনা এবং সেনার আরও দুই উচ্চপদস্থ কর্তার পদচ্যুতি ঘটেছে। শুক্রবার রাতে হোয়াইট হাউস এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।
হঠাৎ বরখাস্ত, কারণ অজানা (US Military Cheif)
ডিআইএ প্রধান ছাড়াও অপসারিত হয়েছেন মার্কিন নৌসেনার রিজার্ভ বাহিনীর প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল ন্যান্সি ল্যাকোর এবং ‘ন্যাভাল স্পেশাল ওয়ারফেয়ার কমান্ড’-এর প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মিল্টন স্যান্ডস(US Military Cheif)। মিল্টন একসময়ে মার্কিন নেভি সিল বাহিনীর প্রধানও ছিলেন।
প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ একটি বিবৃতিতে জানান, “তিনজন সামরিক কর্তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।” তবে হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগন—কোনও পক্ষই এই সিদ্ধান্তের স্পষ্ট কারণ জানায়নি।
পেন্টাগনে অস্থিরতা (US Military Cheif)
ট্রাম্প (Donald J. Trump) দ্বিতীয়বার হোয়াইট হাউসে প্রবেশের পর থেকেই পেন্টাগনের অন্দরে ক্রমশ অস্থিরতা বাড়ছে(US Military Cheif)। এর আগে বরখাস্ত হয়েছেন মার্কিন সেনা সর্বাধিনায়ক (চেয়ারম্যান, জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ) জেনারেল চার্লস কিউ ব্রাউন জুনিয়র এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসএ)-র প্রধান জেনারেল টিমোথি হাফকেও। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল ডিআইএ প্রধান জেফ্রির নাম।

আরও পড়ুন : Vidyasagar Setu : রবিবার সকাল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বিদ্যাসাগর সেতু!
ইরান হামলার রিপোর্ট ঘিরে বিতর্ক (US Military Cheif)
২১ জুন গভীর রাতে মার্কিন স্টেল্থ বোমারু বিমান বি-২ স্পিরিট ইরানের নাতান্জ়, ফোরডো এবং ইসফাহান—এই তিনটি পরমাণু কেন্দ্রে জিবিইউ-৫৭ বাঙ্কার ব্লাস্টার বোমা ফেলে। হামলার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের পরমাণু অস্ত্র নির্মাণের পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।
কিন্তু সম্প্রতি ডিআইএ প্রধান জেফ্রি একটি রিপোর্টে জানান, বাস্তবে ওই পরমাণু কেন্দ্রগুলির তেমন কোনও ক্ষতি হয়নি। এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে চাপে পড়ে ট্রাম্প প্রশাসন। ঘটনাচক্রে, সেই রিপোর্ট পেশের এক মাসের মধ্যেই জেফ্রিকে বরখাস্ত করা হল।
আরও পড়ুন : Kolkata Metro Railway : ১৪ কিমি বিস্তার কলকাতা মেট্রো রেলের, নতুন তিন মেট্রো রুটের সময়সূচি
হোয়াইট হাউসের এই পদক্ষেপকে ঘিরে প্রশ্ন উঠছে মার্কিন কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে(US Military Cheif)। একদিকে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে রুখতে কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন ট্রাম্প, অন্যদিকে পেন্টাগনের ভেতরে ভিন্ন মত উঠে আসছে। জেফ্রির বরখাস্ত সেই মতবিরোধেরই প্রতিফলন কিনা, তা নিয়ে চলছে জোর জল্পনা।


