Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: মায়ানমার যেন মৃত্যুর করাল গ্রাসে (Earthquake) আবদ্ধ। গত শুক্রবার (২৯ মার্চ) ৭.৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় মান্দালয় অঞ্চল। এরপর মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) রাত ৮:৫৭ মিনিটে (ভারতীয় সময়) আবারও ৪.৫ মাত্রার কম্পনে কেঁপে ওঠে দেশটি। ধ্বংসস্তূপ থেকে এখনও মৃতদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে, যা ইতিমধ্যেই ২ হাজার ছাড়িয়েছে বলে স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
ভূমিকম্পের ধ্বংসলীলা (Earthquake)
শুক্রবারের ভূমিকম্পে মান্দালয়ের বহুতল ভবনগুলো তাসের ঘরের মতো (Earthquake) ভেঙে পড়ে। রাস্তায় ফেটে যায় চওড়া চির, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিকল হয়ে যায়। উদ্ধারকর্মীরা দিনরাত এক করে কাজ করলেও ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও শতাধিক মানুষ আটকা থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভূমিকম্পের প্রভাবে প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ডেও কম্পন অনুভূত হয়, যদিও সেখানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তুলনামূলক কম।
আতঙ্কে জনজীবন (Earthquake)
মঙ্গলবারের কম্পন আবারও আতঙ্ক ছড়ায় মায়ানমারজুড়ে। মানুষজন রাতের অন্ধকারেই বাড়িঘর ছেড়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন। স্থানীয় বাসিন্দা মং হ্লা জানান, “আমরা এখনও শুক্রবারের ভয়াবহতা কাটিয়ে উঠতে পারিনি। আজ আবার কম্পন শুরু হলে শিশুরা চিৎকার করে কেঁদে উঠল।”

পাকিস্তানেও কম্পন
এদিকে, মঙ্গলবার ভোর ২:৫৮ মিনিটে (ভারতীয় সময়) পাকিস্তানের কিছু অংশে ৪.৩ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি এই তথ্য নিশ্চিত করলেও এখনও পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা
ভূ-তাত্ত্বিকরা সতর্ক করে দিয়েছেন, মায়ানমার ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলো ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত। তারা আরও শক্তিশালী ভূমিকম্পের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, যা মে মাসের মধ্যে আঘাত হানতে পারে।
আন্তর্জাতিক সাহায্য
ভারত, চীন ও থাইল্যান্ড ইতিমধ্যেই ত্রাণসামগ্রী ও উদ্ধারকারী দল পাঠিয়েছে মায়ানমারে। জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থাগুলোও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য তহবিল সংগ্রহে এগিয়ে এসেছে।


