Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আইএফএ শিল্ডের সেমিফাইনালে নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে ৭-২ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal-Northeast)। শুরুতে গোল হজম করেও আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের পরিকল্পনায় দুর্দান্ত কামব্যাক করে লাল-হলুদ ব্রিগেড। হ্যাটট্রিক করেন ডেভিড লালহানসাঙ্গা। ডুরান্ড কাপের পর আরও একবার মেগা ফাইনালে মুখোমুখি হতে চলেছে দুই প্রধান—ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান।
ললাল-হলুদের কামব্যাক (East Bengal-Northeast)
কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ম্যাচের বয়স তখন মাত্র দেড় মিনিট। নিজেদের বক্সে ডিফেন্ডার মারিও জিভুলিচের ভুলের সুযোগ নিয়ে নর্থইস্টকে এগিয়ে দেন আলাদিন আজারেই। কিছুক্ষণের মধ্যেই আবারও ডিফেন্সের ভুলে দ্বিতীয় গোল হজম করতে পারত ইস্টবেঙ্গল, তবে এবার রক্ষা করেন গোলকিপার পূর্বা লাচেনপা। তবে এই প্রাথমিক ধাক্কা সামলে উঠতে বেশি সময় নেয়নি হাবাসের দল। ১০ মিনিটের মাথায় ক্রিস ইকোনোমিডিসের চমৎকার ক্রস থেকে দর্শনীয় হেডে সমতা ফেরান ডেভিড।

মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ (East Bengal-Northeast)
সমতা ফেরানোর পর কৌশলগত পরিবর্তন আনেন লাল-হলুদ কোচ। সাইডলাইনে লালচুংনুঙ্গাকে নির্দেশ দেওয়ার পর রক্ষণ ও মাঝমাঠের সমন্বয় আরও আঁটসাঁট হয়। ২২ মিনিটে দানি রামিরেজের নিখুঁত ক্রস থেকে গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন রোহিত কুমার। এরপর সম্পূর্ণ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয় লাল-হলুদ শিবির। ৪২ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে দুর্দান্ত গোল করে ব্যবধান ৩-১ করেন ম্যাচের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিস।

ডেভিডের হ্যাটট্রিক (East Bengal-Northeast)
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও আক্রমণের ধারা বজায় রাখে ইস্টবেঙ্গল। পিভি বিষ্ণুর ক্রস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ডেভিড। ৫৫ মিনিটে ক্রিসের আরও একটি ভাসানো ক্রস থেকে বল জালে জড়িয়ে নিজের হ্যাটট্রিক পূরণ করেন এই মিজো স্ট্রাইকার। ম্যাচ পকেটে পুরে ফেলার পর হাবাস রিজার্ভ বেঞ্চ থেকে মাঠে নামান দুই নতুন বিদেশি একে লোবা ও লুকাসকে। ৮৩ মিনিটে নর্থইস্টের আজারেই একটি গোল শোধ করলেও, শেষ মুহূর্তে লাল-হলুদের দুই নতুন বিদেশি নিজেদের জাত চেনান। ৮৫ মিনিটে রশিদের পাস থেকে হাফ-ভলিতে গোল করেন লোবা এবং ৯১ মিনিটে দলের সপ্তম গোলটি করেন লুকাস।
আরও পড়ুন: Indian Cricket Team: সিরিজ জয়েও স্বস্তি নেই, ভারতকে জরিমানা করল আইসিসি
ফাইনালের আগে লাল-হলুদ ঝড় (East Bengal-Northeast)
ডুরান্ড ফাইনালে হারের ক্ষত সামলে আবারও এক ডার্বির সামনে দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান (East Bengal-Northeast)। সেমিফাইনালে মোহনবাগানকে গোলকিপার বিশাল কাইথের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করতে হলেও, ইস্টবেঙ্গলের এই ৭-২ গোলের বিশাল জয় লাল-হলুদ শিবিরকে মানসিকভাবে অনেকটাই এগিয়ে রাখবে। শিল্ড ফাইনালে এই ফর্ম ধরে রেখে ইস্টবেঙ্গল একতরফা দাপট দেখায় নাকি মোহনবাগান ঘুরে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।



