Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
সম্পাদনা: সুপর্ণা ঘোষ, কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে এবার কোমর বেঁধে নামল নির্বাচন কমিশন। রাজ্য পুলিশের জন্য জারি করা হলো অত্যন্ত কড়া ‘অ্যাকশন প্ল্যান'(EC Action Plan)। মহকুমা পুলিশ আধিকারিক থেকে থানার ওসি কার কী ভূমিকা হবে, তা নির্দিষ্ট করে দিল কমিশন।
প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে ‘(EC Action Plan)
বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে এবার রাজ্যের পুলিশ আধিকারিকদের জন্য অত্যন্ত কড়া নির্দেশিকা জারি করল ভারতের নির্বাচন কমিশন। মহকুমা পুলিশ আধিকারিক বা SDPO থেকে শুরু করে থানার ওসি— প্রত্যেকের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে এই নতুন তালিকায়।
কমিশনের কড়া নির্দেশ
১০ দিনের বেশি পেন্ডিং রাখা যাবে না কোনো জামিন অযোগ্য ওয়ারেন্ট
প্রতিটি থানার ওসি-কে তৈরি করতে হবে দাগি ও ফেরার অপরাধীদের তালিকা
প্রয়োজনে ফেরার অপরাধীদের বিরুদ্ধে জারি করতে হবে ‘লুক আউট’ সার্কুলার
তালিকা তৈরির নির্দেশ ‘(EC Action Plan)
কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রতিটি থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককে নিজ নিজ এলাকার অশান্তি ছড়াতে পারে এমন ব্যক্তিদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আন্তঃরাজ্য ও আন্তঃজেলা সীমান্তে সিসিটিভি মাধ্যমে নজরদারি চালাতে হবে
নাকা পয়েন্টগুলো ২৪ ঘণ্টা সচল রাখার নির্দেশ
মাদক-অবৈধ মদের কারবার রুখতে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ কমিশনের
হোটেল, সরাইখানা ও ধর্মশালায় নিয়মিত তল্লাশি চালাতে হবে পুলিশকে
আরও পড়ুন:KP Oli Sharma: সরকার বদলের জের! একদিনের মধ্যেই গ্রেফতার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী!
কর্তব্যে গাফিলতিতে কঠোর আইনি ব্যবস্থা ‘(EC Action Plan)
নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্বাচনের কাজে যুক্ত সমস্ত পুলিশ আধিকারিক এখন কমিশনের অধীনে ডেপুটেশনে রয়েছেন। তাই কর্তব্যে কোনো গাফিলতি বা অসদাচরণ ধরা পড়লে জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১২৯ এবং ১৩৪ ধারা অনুযায়ী নেওয়া হবে কঠোর আইনি ব্যবস্থা। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার ওপর কমিশনের এই কড়া নজরদারি শেষ পর্যন্ত কতটা ফলপ্রসূ হয়, সেটাই এখন দেখার।



