Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টিনকে (Epstein Files) ঘিরে রহস্যের পর্দা যেন কাটছেই না। মৃত্যুর বছর পাঁচ পরেও তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে। এ বার প্রকাশ্যে এল সেই নারীর পরিচয়, যিনি এপস্টিনের জীবনের শেষ অধ্যায়ে ছিলেন সবচেয়ে কাছের মানুষ। বেলারুশের মিনস্কের বাসিন্দা কারিয়ানা শুলিয়াক- পেশায় একজন দন্ত চিকিৎসককেই নিজের জীবনের শেষ ফোনটি করেছিলেন এপস্টিন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের দাবি (Epstein Files)
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, এপস্টিন ফাইলে (Epstein Files) থাকা নথি ঘেঁটে জানা গিয়েছে, ২০১০ সালের দিকে মিনস্কেই প্রথম দেখা হয় দু’জনের। পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন এক রুশ মহিলা, যিনি উভয়েরই পরিচিত ছিলেন। সেই সময় শুলিয়াকের বয়স মাত্র কুড়ি। বয়সের ব্যবধান সত্ত্বেও দ্রুতই ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। সম্পর্কের শুরু থেকেই শুলিয়াককে নিজের প্রেমিকা হিসেবে পরিচয় দিতেন এপস্টিন।

শুলিয়াকের ঠিকানা আমেরিকা (Epstein Files)
কিছু দিনের মধ্যেই বেলারুশ ছাড়িয়ে শুলিয়াকের ঠিকানা হয় (Epstein Files) আমেরিকা। এপস্টিনের উদ্যোগেই তিনি সেখানে যান এবং নিউ ইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ একটি ডেন্টাল কলেজে পড়াশোনা সম্পূর্ণ করেন। ধীরে ধীরে এপস্টিনের ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠেন তিনি। সংবাদমাধ্যমের দাবি, জীবনের শেষ কয়েক বছরে মানসিকভাবে এপস্টিন সবচেয়ে বেশি নির্ভর করতেন শুলিয়াকের উপরেই।

আরও পড়ুন: US Iran Tension: ইরান-আমেরিকা টানাপোড়েনে হরমুজে সতর্ক সংকেত, মার্কিন জাহাজকে দূরে থাকার বার্তা
টানাপোড়েনের ছবি
তবে সম্পর্কটি যে সবসময় মসৃণ ছিল, তা নয়। ইমেল বিনিময়ের কিছু অংশ থেকে উঠে এসেছে টানাপোড়েনের ছবিও। কখনও এপস্টিন অভিযোগ করেছেন সময় বা ঘনিষ্ঠতার অভাব নিয়ে, আবার কখনও প্রেমিকার উদ্দেশে বলেছেন, অন্য নারীদের উপস্থিতিতে ঈর্ষান্বিত না হতে। আশ্চর্যের বিষয়, ২০১২ সালে এপস্টিনের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ প্রকাশ্যে এলেও, তখনও শুলিয়াক তাঁর পাশে ছিলেন। এক বার্তায় তিনি লিখেছিলেন, এপস্টিনই নাকি “সব পুরুষের মধ্যে সবচেয়ে বিশুদ্ধ”।


