Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বড়দিনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রয়াত ব্রিটিশ অর্থলগ্নিকারী ও দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনকে নিয়ে একটি অদ্ভুত ও বিতর্কিত সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট শেয়ার করেন(Epstein)। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া ওই পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, “এপস্টিনকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি ফ্যাশন হওয়ার অনেক আগেই” তিনি তার সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন।
বামপন্থীদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা (Epstein)
একই সঙ্গে ট্রাম্প তথাকথিত “এপস্টিন ফাইলস” প্রকাশ নিয়ে বিতর্ককে “র্যাডিকাল লেফটের উইচ হান্ট” বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে আখ্যা দেন। এপস্টিন-সংক্রান্ত সরকারি নথিপত্র প্রকাশ ও সেগুলোর রেডাকশন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর ডেমোক্র্যাটদের চাপ অব্যাহত রয়েছে। অনেকেই আরও স্বচ্ছতার দাবি তুললেও প্রশাসনের বক্তব্য, ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই কিছু তথ্য গোপন রাখা হয়েছে।
‘আমি এপস্টিনকে আগেভাগেই ছেড়ে দিয়েছিলাম’(Epstein)
২০১৯ সালে কারাগারে থাকাকালীন আত্মহত্যা করেন এপস্টিন। তার বিরুদ্ধে নাবালিকা মেয়েদের যৌন নির্যাতন ও যৌন পাচারের গুরুতর অভিযোগ ছিল। বড়দিনের পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, “জেফ্রি এপস্টিনকে ভালোবাসা অসংখ্য ‘স্লিজব্যাগ’-সহ সবাইকে মেরি ক্রিসমাস, যারা পরিস্থিতি গরম হয়ে উঠতেই তাকে কুকুরের মতো ছুড়ে ফেলেছিল এবং পরে সব দোষ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে ট্রাম্পের ওপর চাপিয়েছিল। অথচ বাস্তবে একমাত্র আমিই তাকে আগেভাগেই ছেড়ে দিয়েছিলাম।”
ট্রাম্প ও এপস্টিনের বন্ধুত্ব! (Epstein)
তবে এটাও উল্লেখযোগ্য যে কয়েক দশক আগে ট্রাম্প ও এপস্টিনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। ২০০২ সালে নিউইয়র্ক ম্যাগাজিনে এপস্টিনকে “চমৎকার মানুষ” বলেও প্রশংসা করেছিলেন ট্রাম্প। পরে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ২০০৩ সালের একটি আপত্তিকর জন্মদিনের কার্ডের কথা প্রকাশ করলে ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়ে। যদিও ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি সেই চিঠি লেখেননি এবং পত্রিকাটির বিরুদ্ধে মামলা করেন।
আরও পড়ুন: Tarique: তারেক রহমানের ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন: সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে তারেকের উদ্বেগ, পরিস্থিতিতে গভীর নজর নয়াদিল্লির
ট্রাম্প “কোনো ভুল করেননি” (Epstein)
হোয়াইট হাউসের বক্তব্য, ট্রাম্প “কোনো ভুল করেননি” এবং এপস্টিনকে মার-এ-লাগো ক্লাব থেকে বের করে দিয়েছিলেন। ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দেন, এপস্টিনকে একসময় “মহান মানুষ” ভাবা লোকজন মূলত ডেমোক্র্যাট। বিচার বিভাগ যত বেশি নথি প্রকাশ করবে, ট্রাম্প-এপস্টিন সম্পর্ক ততই নতুন করে আলোচনায় আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।



