Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ঘটালেন তারেক রহমান। প্রায় দুই দশক নির্বাসনে থাকার পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান দেশে ফিরেছেন(Tarique)। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের আগে তারেকে দেশে ফেরা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
১৭ বছর পর দেশে তারেক রহমান (Tarique)
বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন ৬০ বছর বয়সি তারেক রহমান। বিপুলসংখ্যক সমর্থক ও দলীয় নেতাদের উপস্থিতিতে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেই হয় তাঁর অভ্যর্থনা। বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে তিনি জুতো খুলে খালি পায়ে দেশের মাটিতে পা রাখেন এবং এক মুঠো মাটি তুলে নেন প্রতীকী স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের বার্তায়।
‘আমার একটি পরিকল্পনা আছে’ (Tarique)
সমর্থকদের উদ্দেশে ভাষণে তিনি বলেন, “প্রিয় বাংলাদেশ,” এবং সব ধর্মের মানুষের ঐক্য ও নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দেন। মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের ‘আই হ্যাভ আ ড্রিম’-এর অনুকরণে তিনি বলেন, “আমার একটি পরিকল্পনা আছে দেশের মানুষের জন্য, দেশের জন্য।” তিনি জোর দেন শান্তি, গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক শক্তির ওপর।
গভীর নজর নয়াদিল্লিরও (Tarique)
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন শুধু বাংলাদেশের রাজনীতিতেই নয়, নয়াদিল্লিতেও গভীর নজর কেড়েছে। বিভিন্ন দিক থেকে বিএনপিকে এগিয়ে রাখা হয়েছে, আর শেখ হাসিনার আওয়ামি লিগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। ভারত ঐতিহাসিকভাবে আওয়ামি লিগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিএনপিকে তুলনামূলক গ্রহণযোগ্য মনে করা হচ্ছে বিশেষত জামায়াতে ইসলামির উত্থানের প্রেক্ষাপটে।
তারেক রহমানের বক্তব্য ভারতের জন্য আশ্বাসজনক (Tarique)
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে তারেক রহমানের বক্তব্যও ভারতের জন্য আশ্বাসজনক। দুর্গাপূজার আগে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা কামনা করেন এবং বলেন, “ধর্ম ব্যক্তির, কিন্তু নিরাপত্তা সবার অধিকার।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের দেশে ফেরা বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।



