Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গাজার বিপুলসংখ্যক বাস্তুচ্যুত মানুষের উপর (Gaza) এবার প্রকৃতির নির্মম আঘাত। সপ্তাহজুড়ে অব্যাহত ভারী বৃষ্টিপাতে দক্ষিণ ও মধ্য গাজার বহু ত্রাণশিবির জলমগ্ন। পাতলা ত্রিপল ও অস্থায়ী তাঁবুতে আশ্রয় নেওয়া পরিবারগুলো রাতভর কাঁপতে কাঁপতে জল সরে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকে।
ত্রাণশিবিরে দুর্দশায় গাজাবাসী (Gaza)
যুদ্ধের ধাক্কায় বাড়িঘর হারানো লাখো মানুষ বিভিন্ন শিবিরে আশ্রয় (Gaza) নিয়েছেন। সেই অস্থায়ী আশ্রয়ই এখন কাদা-জলে ভরেছে, শীতল বাতাস ভারী হয়েছে অসহায় মানুষের কান্নায়। শিবিরের ভিতর রান্নার উনুন ভিজে গিয়েছে, শুকনো খাবার নষ্ট হয়েছে, পোশাক ভিজে ঠাণ্ডায় শিশু ও বৃদ্ধদের শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ। অনেক তাঁবুর প্লাস্টিক ছিঁড়ে গেছে, ভেসে গেছে বিছানা ও গদি। কেউ কেউ বৃষ্টি ঠেকাতে কার্ডবোর্ড, কাঠের টুকরো ও পুরোনো ব্যানার ব্যবহার করছেন।

বড় আতঙ্ক শিশুদের অসুস্থতা (Gaza)
মা–বাবাদের সবচেয়ে বড় আতঙ্ক শিশুদের (Gaza) অসুস্থতা। ডায়রিয়া, সর্দি-জ্বর ও সংক্রমণের ভয় প্রতিনিয়ত তাড়া করছে। পরিষ্কার পানি ও ওষুধের সংকট আরও বাড়িয়েছে উদ্বেগ। অনেক পরিবার বলছে, খাবারের চেয়ে জরুরি হয়ে উঠেছে শুকনো থাকার জায়গা।
আরও পড়ুন: Venezuela: ভেনেজুয়েলায় মার্কিন রণতরী: লাতিন আমেরিকায় সংঘর্ষের সম্ভাবনা?
‘ভবিষ্যতের কোনও নিশ্চয়তা নেই’
আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে, পরিস্থিতি দ্রুত ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে। বৃষ্টির মরসুম দীর্ঘ হওয়ায় শিবিরগুলোতে জল জমা ও রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা অনেক বেশি। এক গৃহহীন ব্যক্তি বলেন, “রাতভর ত্রিপলের ছেঁড়া অংশ দিয়ে টপটপ করে জল পড়ে। বাচ্চারা কাঁদলে তাদের শান্ত করার উপায় নেই। ঘুম নেই, নিরাপত্তা নেই, ভবিষ্যতের কোনও নিশ্চয়তা নেই।”

জরুরি সহায়তার আবেদন
পরিস্থিতির উন্নতির জন্য আন্তর্জাতিক মহলে জরুরি সহায়তার আবেদন জানানো হচ্ছে। গাজার মানুষ এখন কেবল নিরাপদ আশ্রয়, শীতের কাপড় ও ন্যূনতম সহায়তার অপেক্ষায়। তাদের কাছে জীবন বাঁচিয়ে রাখাই একমাত্র লক্ষ্য।


