Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতে সোনা কেনা ও উপহার (Gold Rate Today) দেওয়ার প্রচলন বহু বছর ধরে চলে আসছে। বিশেষত উৎসব, বিয়ে বা অন্য কোনো শুভ অনুষ্ঠানে সোনা দেওয়া একটি ঐতিহ্য। শুধু তাই নয়, অনেকেই সোনাকে একটি নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে দেখে থাকেন। সোনার দাম বাড়লে বিনিয়োগকারীরা ভালো মুনাফা করতে পারেন। তবে সোনার গয়না কেনার সময় মূলত খরচ অনেক বেড়ে যায় কারণ এখানে কাজের মূল্যও যুক্ত হয়।
সোনার মধ্যে সবচেয়ে বিশুদ্ধ ধাতু হল ২৪ ক্যারেট সোনা (Gold Rate Today)
সোনার মধ্যে সবচেয়ে বিশুদ্ধ ধাতু হল ২৪ ক্যারেট সোনা, যার বিশুদ্ধতা (Gold Rate Today) প্রায় ৯৯.৯%। তবে ২৪ ক্যারেট সোনা খুব নরম হওয়ায় সরাসরি গয়না তৈরিতে ব্যবহার করা হয় না। সাধারণত ২২ ক্যারেট সোনা, যার বিশুদ্ধতা প্রায় ৯২%, গয়নায় বেশি ব্যবহৃত হয়। যারা সোনার বার বা কয়েন সংগ্রহ করেন, তাঁরা সাধারণত ২৪ ক্যারেট বা ‘পাকা সোনা’ পছন্দ করেন, কারণ এটি বিনিয়োগের জন্য আদর্শ।
সোনার দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে (Gold Rate Today)
সাপ্তাহিক বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সপ্তাহের শেষের দিকে সোনার দাম কিছুটা (Gold Rate Today) বৃদ্ধি পেয়েছে। রূপোর দামও এই সময়ে প্রায় এক লক্ষ টাকার কাছাকাছি ওঠানামা করেছে। তবে সপ্তাহের শুরুতে সোনার দাম কিছুটা কমে গিয়েছিল। রূপোর দামও সামান্য কমার দিকে ছিল। গত সপ্তাহে রূপোর দাম ১ লাখ টাকার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য নজরকাড়া বিষয়।
রূপোর বাজার মূল্য প্রতি কেজিতে দাঁড়িয়েছে ৯৮,২৫৫ টাকা
আজকের দিনে (২৬ মে ২০২৫) সোনার দাম অনুযায়ী ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি গ্রামে ৯৫৪৬ টাকা। ২২ ক্যারেট সোনার দাম কিনতে গেলে প্রতি গ্রামে প্রায় ৯০৭০ টাকা দিতে হয়, কিন্তু বিক্রির সময় সেটি প্রায় ৮৬৮৬ টাকায় পড়ে। ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ৭৪৪৫ টাকা প্রতি গ্রাম। রূপোর বাজার মূল্য প্রতি কেজিতে দাঁড়িয়েছে ৯৮,২৫৫ টাকা।
ব্যবসায়ীদের সমন্বয় এবং শিল্পের উন্নয়নে কাজ
১৯৯৩ সালে ‘স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটি’ নামে একটি সংগঠন গঠিত হয়েছিল, যা রাজ্যের স্বর্ণশিল্পী এবং স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের অধীনে কাজ করে আসছে। এই সংগঠনের মাধ্যমে সোনার মান নিয়ন্ত্রণ, ব্যবসায়ীদের সমন্বয় এবং শিল্পের উন্নয়নে কাজ করা হয়। বর্তমানে এই কমিটির কার্যনির্বাহী সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন সমর কুমার দে।
বিশেষভাবে খেয়াল রাখা জরুরি
সোনা কেনার সময় কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে খেয়াল রাখা জরুরি। প্রথমত, সোনার বিশুদ্ধতা বুঝতে ক্যারেটের দিকে নজর দিতে হবে। যেমন, ২৪ ক্যারেট সোনা প্রায় খাঁটি হলেও খুব নরম হওয়ায় গয়নায় ব্যবহার কম। ২২ ক্যারেট সোনা সাধারণত গয়নায় ব্যবহৃত হয় কারণ এর মিশ্রণ সোনাকে শক্তিশালী করে।
হলমার্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ
দ্বিতীয়ত, গয়নায় থাকা হলমার্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হলমার্কে জুয়েলারের পরিচিতি চিহ্ন, ক্যারেট, উৎপাদনের সাল এবং BIS (ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস) এর স্ট্যাম্প থাকে। BIS স্ট্যাম্প মানের নিশ্চয়তা দেয় যে গয়নাটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুসারে তৈরি। এছাড়া, জুয়েলারদের নিজস্ব হলমার্কও থাকতে পারে যা তৈরি বছরের তথ্য এবং ধাতুর বিশুদ্ধতা নির্দেশ করে। এই হলমার্ক গয়নাটির বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায় এবং ক্রেতার সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
আরও পড়ুন: Kochu Lati Ghanta: বৃষ্টির দুপুরে গরম ভাতে কচুরলতি ঘণ্ট, বানিয়ে ফেলুন সহজে!
সুতরাং সোনা কেনার সময় শুধু দাম নয়, এর বিশুদ্ধতা এবং হলমার্ক যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে করে বিনিয়োগ নিরাপদ হয় এবং মূল্যবান ধাতু ভালোভাবে সংরক্ষণ হয়।


