Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গ্র্যামির মঞ্চে এক ব্যতিক্রমী স্বীকৃতি পেল আধ্যাত্মিকতার কণ্ঠ (Grammy Controversy)। ৬৮তম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে ‘সেরা অডিও বুক’ বিভাগে সম্মানিত হয়েছেন বৌদ্ধ ধর্মগুরু দলাই লামা। তাঁর কথায় ও ভাবনায় তৈরি অ্যালবাম ‘Meditation: The Reflections of His Holiness the Dalai Lama’ আন্তর্জাতিক মঞ্চে সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নেওয়ার পরই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক টানাপোড়েন। বিশেষ করে এই পুরস্কারকে ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চিন।
ধর্মগুরুর জয় (Grammy Controversy)
গ্র্যামির মঞ্চে দলাই লামা স্বশরীরে উপস্থিত না (Grammy Controversy) থাকলেও তাঁর হয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেন বিশ্বখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী রুফাস ওয়েনরাইট। এই বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল যথেষ্ট কঠিন-মনোনীতদের তালিকায় ছিলেন ট্রেভর নোয়া, মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি কেটানজি ব্রাউন জ্যাকসনের মতো পরিচিত নাম। তাঁদের পিছনে ফেলে নবতিপর এই ধর্মগুরুর জয় আধ্যাত্মিক বার্তার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাই তুলে ধরেছে।

বেজিং-এর আপত্তি (Grammy Controversy)
তবে এই সম্মানকে ভালো চোখে দেখেনি (Grammy Controversy) বেজিং। চিনের বিদেশমন্ত্রকের তরফে কড়া ভাষায় জানানো হয়েছে, দলাই লামা ধর্মের আড়ালে চিন-বিরোধী রাজনীতি করছেন। তাঁকে ‘ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব’ নয়, বরং ‘পলাতক রাজনীতিক’ বলেও আক্রমণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিকে ব্যবহার করে বিচ্ছিন্নতাবাদ উসকে দেওয়ার অভিযোগও তুলেছে চিন।

আরও পড়ুন: Cigarette Price Hike: বাজেটের ধাক্কায় সিগারেটের দাম আকাশছোঁয়া, এক প্যাকেটেই বাড়ল ২৫ টাকা!
এই বিতর্ক নতুন নয়। ১৯৫৯ সালে তিব্বত ছাড়ার পর থেকে দলাই লামার জীবন জড়িয়ে রয়েছে ভারত ও চিনের কূটনৈতিক সম্পর্কের জটিল সমীকরণের সঙ্গে। ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকেই তিনি শান্তি, অহিংসা ও সহমর্মিতার বার্তা ছড়িয়ে চলেছেন বিশ্বজুড়ে। ভারতের প্রতি তাঁর কৃতজ্ঞতা এবং ভারতের তরফে তাঁকে ঘিরে থাকা সমর্থন বারবার চিনের আপত্তির কারণ হয়েছে।


