Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি ইউরোপ-আমেরিকা সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে। ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য “অপরিহার্য” দাবি করে একে দখলের ইঙ্গিত দেওয়ায় ইউরোপীয় নেতারা প্রকাশ্যে তার সমালোচনায় মুখর হয়েছেন(Greenland)।
আঘাত এলে ‘ট্রেড বাজুকা’য় জবাব (Greenland)
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডাভোস) মঞ্চ থেকে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরঁ ট্রাম্পের নীতির কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করে ‘শক্তিমানদের শাসন’ ফিরে আসছে, যা বিশ্ব ব্যবস্থাকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। ম্যাকরঁ সতর্ক করে বলেন, ইউরোপের সার্বভৌমত্বে আঘাত এলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের তথাকথিত ‘ট্রেড বাজুকা’ বা অ্যান্টি-কোয়ারশন ব্যবস্থার মাধ্যমে পাল্টা জবাব দিতে পারে।
‘আন্তর্জাতিক আইন কোনও খেলা নয়’
ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন বলেন, “আন্তর্জাতিক আইন কোনও খেলা নয়।” তিনি জানান, সামরিক শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সতর্ক করে বলেন, “সবচেয়ে খারাপ সময় হয়তো এখনও আসেনি।”
আমদানি শুল্ককে ‘অন্যায়’ (Greenland)
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ককে “অন্যায়” বলে আখ্যা দেন এবং বলেন, মিত্রদের ওপর শুল্ক চাপানো কোনো সমাধান নয়। জার্মানি ও ফ্রান্সও স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, তারা ব্ল্যাকমেইলের কাছে মাথা নত করবে না।
ইউরোপের প্রতিক্রিয়া হবে ঐক্যবদ্ধ (Greenland)
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা বাণিজ্য চুক্তি অবশ্যই সম্মান করতে হবে। ইউরোপের প্রতিক্রিয়া হবে ঐক্যবদ্ধ ও আনুপাতিক। এদিকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেন, বর্তমান বিশ্বে তথাকথিত ‘নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা’ একটি ভ্রান্ত ধারণা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন এবং ট্রাম্পের শুল্ক হুমকির বিরোধিতা করেন।
আরও পড়ুন: Japan : জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের হত্যাকাণ্ড: অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন আদালতের
‘ফিরে আসার সুযোগ নেই’ (Greenland)
অন্যদিকে ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে তার পরিকল্পনা থেকে “ফিরে আসার সুযোগ নেই”। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রয়োজনে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।



