Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দাপুটে ব্যাটিং ভারতের। ভিত তৈরি করেন সঞ্জু-অভিষেক, বাকি ইনিংসকে ঝড়ের গতিতে এগিয়ে নিয়ে গেল হার্দিক-তিলক (Ind vs SA)।
রানের পাহাড় ভারতের (Ind vs SA)
ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার চলতি টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে দেখা গেল ভারতীয় ব্যাটারদের ঝোড়ো ইনিংস। টস জিতে প্রথম বল করার সিধান্ত নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্যাট করতে নেমে ওপেনিং জুটি অভিষেক-সঞ্জু শুরু করেন নিজেদের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে (Ind vs SA)।
এই ম্যাচে চোটের কারণে দলে জায়গা পাননি শুভমন গিল তাঁর জায়গায় দলে জায়গায় পেয়েছেন সঞ্জু। আর দলে জায়গা পেয়েই নিজের দক্ষতার পরিচয় দিলেন তিনি। কেন তাঁকে বারবার দলের বাইরে রাখা হচ্ছিল সেই প্রশ্ন আবারও নতুন করে জাগিয়ে দিয়ে গেল তাঁর এই ইনিংস। ২২ বলে ৩৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৪টি চার ও ২টি ছয়। অন্যদিকে অভিষেক শর্মাও খেললেন দুর্দান্ত ইনিংস। তিনি করেন ২১ বলে ৩৪ রান। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৬টি চার ও একটি চার।
সিরিজ নির্ণায়ক ম্যাচে আবারও জ্বলে উঠলেন ভারতের তারকা অলরাউন্ডার। ১৬ বলে করলেন নিজের অর্ধশতরান। তাঁর ঝোড়ো ইনিংসে রয়েছে ৫টি ছয় ও ৪টি চার। আহমেদাবাদে নতুন রেকর্ড। দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে দ্রুততম অর্ধশতরান। একনম্বরে যুবরাজ সিং। ছয়ের বন্যা বইয়ে দেন হার্দিক। প্রোটিয়া বোলাদের রীতিমতো শাসন করলেন নিজের রুদ্রমূর্তি ধারণ করে। মাত্র ২৫ বলে ৬৩ রান করেন তিনি।
আরও পড়ুন: Victoria Sponge Cake: ব্রিটিশ ঐতিহ্যের মিশেল ভিক্টোরিয়া স্পঞ্জ কেক, স্বাদ ও ইতিহাসের মেলবন্ধন
আরও একজনের অবদান অনসীকার্য, তিনি তিলক বর্মা। হার্দিক ক্রিজে আসার আগেই সেট হয়ে যান বাঁ হাতি প্রতিভাবান ব্যাটার। ৪২ বলে ৭৩ রান করে রান আউট হন তিলক। দু’জনের ব্যাটে ভর করে রানের পাহাড়ে পৌঁছে যায় ভারত। ২০ ওভারের শেষে ৫ উইকেটের বিনিময়ে ২৩১ রান টিম ইন্ডিয়ার। আহমেদাবাদে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান ভারতের। ৩২ বলে অর্ধশতরান সম্পূর্ণ করেন তিলক বর্মা। আজও রান পাননি দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার। ৭ বলে মাত্র ৫ রান করে ড্রেসিং রুম ফিরে যেতে হয় তাঁকে। তাঁর এই অফ ফর্ম কিন্তু চিন্তায় রাখবে টিম ইন্ডিয়াকে (Ind vs SA)।

তবে এই ম্যাচেও ব্যর্থ হলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। মাত্র ৫ রানে ড্রেসিং রুমে ফিরে যান তিনি। তাঁর ফর্মে ফেরা এই ম্যাচেও হলো না। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে তাঁর এই রানের খরা চিন্তায় রাখবে ভারতীয় শিবিরকে। তবে একটা প্রশ্ন বারবার উঠবে, যতবার সুযোগ পেয়েছেন সঞ্জু ততবারই নিজেকে প্রমাণ করেছেন। তারপরেও কেন বারবার তাঁকে অপেক্ষা করতে হয় ডাগ-আউটে বসে বা কেউ চোট পেয়ে বাইরে গেলে তাঁর বিকল্প হিসেবে দলে জায়গা পাওয়ার। যার উত্তরে কী বলবেন দলের হেড কোচ ও নির্বাচক প্রধান?


