Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আজকের হাইপার-কম্পিটিটিভ কর্পোরেট দুনিয়ায় দীর্ঘ সময়ের কাজ, নিরন্তর টার্গেট স্ট্রেসকে দৈনন্দিনের ঘটনায় পরিণত করেছে(Heart Attack)। এই কর্পোরেট স্ট্রেস এখন আর শুধু মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয় নয় এটি ধীরে ধীরে হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকারক হয়ে উঠছে। ফলে অল্পবয়সীদের মধ্যে স্ট্রেস-জনিত হৃদ্রোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।
হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা বাড়ায় সতর্কতা (Heart Attack)
এই নীরব স্বাস্থ্য সঙ্কটটি বেশিরভাগ সময় চোখ এড়িয়ে যায়, যতক্ষণ না তা জরুরি পরিস্থিতিতে রূপ নেয়। কাজের চাপ, কর্পোরেট বার্নআউট ও অনিয়ন্ত্রিত মানসিক স্ট্রেসের কারণে হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা বাড়তে থাকায় বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন।
শত্রু মানসিক চাপ ও অনিয়মিত জীবনযাপন (Heart Attack)
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছরে ২০-৩০ বছর বয়সীদের মধ্যেও হৃদ্রোগজনিত ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে। অনেকেই দেখতে সুস্থ, রিপোর্টও স্বাভাবিক, কিন্তু দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ ও অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে হঠাৎ বুকে ব্যথা বা হৃদ্স্পন্দনের সমস্যায় হাসপাতালে আসছেন।
“ফাইট অর ফ্লাইট” (Heart Attack)
দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেসে শরীর সবসময় “ফাইট অর ফ্লাইট” অবস্থায় থাকে। এতে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন বেড়ে গিয়ে রক্তচাপ বাড়ায়, ধমনিতে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং হৃদ্যন্ত্রকে দুর্বল করে। কম ঘুম, অতিরিক্ত ক্যাফেইন, অনিয়মিত খাবার, সারাদিন বসে কাজ আর সপ্তাহান্তে অতিরিক্ত মদ্যপান সব মিলিয়ে ঝুঁকি আরও বাড়ে।
সতর্কতাই প্রয়োজনীয়তা (Heart Attack)
হালকা বুকে চাপ, অস্বাভাবিক ক্লান্তি, শ্বাসকষ্ট বা প্যালপিটেশনকে অনেকেই “স্ট্রেস” ভেবে এড়িয়ে যান। কিন্তু এগুলো হৃদ্যন্ত্রের আগাম সতর্কতা সংকেত হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত শরীরচর্চা, নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম ও খাবার, ক্যাফেইন কমানো, স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট এবং ৩০-এর পর নিয়মিত হার্ট চেক-আপ জরুরি।



