Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইসরোর জনকসঙ্গী একনাথ বসন্ত চিটনিস প্রয়াণ শতবর্ষে ইতি মহাকাশ অভিযাত্রার এক স্বর্ণযুগের ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো)-র প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে যাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য (INCOSPAR), সেই প্রখ্যাত বিজ্ঞানী একনাথ বসন্ত চিটনিস প্রয়াত। শতবর্ষ পেরিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে পুণেতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ভারতের প্রথম টেলিযোগাযোগ উপগ্রহ প্রকল্পের জনক হিসেবে তাঁর অবদান আজও অমলিন।
ইসরোর জন্মে একনাথের অবদান (INCOSPAR)
১৯৬২ সালে আমেরিকায় গবেষণা শেষ করে দেশে ফিরে আসেন একনাথ বসন্ত চিটনিস। যোগ দেন বিক্রম সারাভাই-এর প্রতিষ্ঠিত ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কমিটি অফ স্পেস রিসার্চ (INCOSPAR)-এ। সেখান থেকেই গড়ে ওঠে ভারতের প্রথম মহাকাশ গবেষকদের দলযার সদস্য ছিলেন ভবিষ্যতের রাষ্ট্রপতি এ.পি.জে. আব্দুল কালামও।
মৎস্যজীবী গ্রাম থেকে মহাকাশ কেন্দ্র (INCOSPAR)
সারাভাইয়ের সঙ্গে একনাথের নেতৃত্বেই শুরু হয় মহাকাশ উৎক্ষেপণের জন্য উপযুক্ত স্থান অনুসন্ধান। ভারতের সমুদ্র উপকূল ঘুরে তাঁরা খুঁজে পান কেরলের ছোট্ট মৎস্যজীবী গ্রাম থুম্বা। পরবর্তীতে সেখানেই প্রতিষ্ঠিত হয় থুম্বা ইকুয়েটোরিয়াল রকেট লঞ্চিং সেন্টার, যা ইসরোর ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়।
ইনস্যাটের নেপথ্যে যিনি (INCOSPAR)
ভারতের প্রথম টেলিযোগাযোগ উপগ্রহ INSAT তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন একনাথ চিটনিস। টেলিযোগাযোগ ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তিতে তাঁর অবদান ভারতকে বিশ্বমঞ্চে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেয়।
সম্মান ও স্বীকৃতি (INCOSPAR)
১৯৮৫ সালে ভারত সরকার তাঁকে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘পদ্মভূষণ’ প্রদান করে। তাঁর কাজের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ার গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
আরও পড়ুন: Pakistan: ধর্মীয় কারণে নেতৃত্ব যায়নি রিজওয়ানের, প্রকাশ্যে আসল কারণ
এক যুগের অবসান
হোমি ভাবা, বিক্রম সারাভাই, এবং আব্দুল কালামের মতো দিগন্তপ্রসারী মনীষীদের সঙ্গে কাজ করা এই বিজ্ঞানী ভারতের মহাকাশযাত্রার অন্যতম স্তম্ভ ছিলেন। একনাথ বসন্ত চিটনিসের প্রয়াণে ভারতের বিজ্ঞান অঙ্গন হারাল এক সত্যিকারের পথিকৃৎকে।



