Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই ভারত ও ইরানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সমঝোতার খবর সামনে এসেছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাঘচির মধ্যে বৈঠকের পর ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় তেলবাহী ট্যাঙ্কার চলাচলের অনুমতি দিয়েছে(India Hormuz Tanker)।
ভারতীয় জাহাজগুলিকে ছাড় (India Hormuz Tanker)
ইকোনমিক টাইমস-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি পশ্চিমী দেশ এবং ইজরায়েলের ট্যাঙ্কার ও কনটেইনার জাহাজের জন্য বন্ধ থাকলেও ভারতীয় জাহাজগুলোকে নিরাপদে পার হতে দেওয়া হচ্ছে।
জয়শঙ্কর-আরাঘচি আলোচনা
মঙ্গলবার জয়শঙ্কর ও আরাঘচির মধ্যে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল গত মাসে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করার পর এটি ছিল দুই নেতার মধ্যে তৃতীয়বারের মতো আলোচনা।
আলোচনার পর ট্যাঙ্কারকে ছাড়
এই আলোচনার পর ভারতীয় ট্যাঙ্কার ‘পুষ্পক’ এবং ‘পরিমল’ নিরাপদে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি সম্পর্কে সূত্রের মাধ্যমে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জয়শঙ্কর–আরাঘচি আলোচনায় ভারতীয় ট্যাঙ্কারের নিরাপদ চলাচল ছিল প্রধান অগ্রাধিকার। এদিকে অঞ্চলে জাহাজে হামলার ঘটনাও বেড়েছে। রয়টার্স জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার অন্তত ছয়টি জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
ভারতের নির্ভরতা তুলনামূলক কম
ভারতের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব সুজাতা শর্মা জানিয়েছেন, ভারতের মোট এলএনজি আমদানির প্রায় ৫০ শতাংশ হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে আসে এবং এর ৯০ শতাংশ এই পথেই পরিবাহিত হয়। তবে তেলের ক্ষেত্রে ভারতের নির্ভরতা তুলনামূলকভাবে কম। বর্তমানে ভারতের প্রায় ৭০ শতাংশ আমদানিকৃত তেল হরমুজ প্রণালীর বাইরে দিয়ে আসে।
আংশিক বন্ধ হরমুজ প্রণালী (India Hormuz Tanker)
যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের হামলার জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে তাদের মিত্রদের তেল ও গ্যাস কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে এবং হরমুজ প্রণালী আংশিকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী সমুদ্রপথে পরিবাহিত ২০–২৫ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
আরও পড়ুন: Farooq Abdullah Attack: ২০ বছরের ক্ষোভ! ফারুক আবদুল্লাহর মাথায় বন্দুক তাক, হামলাকারী কে?
তেলের দামও দ্রুত বেড়েছে (India Hormuz Tanker)
যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেলের দামও দ্রুত বেড়েছে। যুদ্ধের আগে যেখানে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ছিল ৭২.৪৮ ডলার, তা বেড়ে সোমবার ১১৯.৫০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছায়। পরে কিছুটা কমলেও বুধবার আবার ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়।



