Last Updated on [modified_date_only] by Anustup Roy Barman
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সালাল এবং বাগলিহার প্রকল্পের (Salal and Baglihar project) কাজ সম্পর্কে ভারত পাকিস্তানকে অবহিত করেনি। এই ঘটনা বাঁধ নির্মাণের পর প্রথমবারের মতো করা হচ্ছে, কারণ সিন্ধু জল চুক্তি এই ধরনের কাজকে বাধাগ্রস্ত করেছিল।
জলাধার ফ্লাশিং প্রক্রিয়া শুরু (Salal and Baglihar project)
ভারত সরকার কাশ্মীরের সলাল ও বাগলিহার জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে জলাধার ফ্লাশিং প্রক্রিয়া শুরু করেছে (Salal and Baglihar project)। এই কাজটি ১ মে থেকে তিন দিন ধরে চলে। এই প্রথমবারের মতো এই বাঁধগুলিতে এমন ফ্লাশিং প্রক্রিয়া চালানো হয়েছে, যা আগে ইন্দাস জলচুক্তির কারণে সম্ভব ছিল না। এই প্রক্রিয়ায় জলাধার থেকে পলি ও কাদা সরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দক্ষতা বাড়ানো হচ্ছে এবং টারবাইনের ক্ষতি রোধ করা হচ্ছে।
পাকিস্তানের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধি (Salal and Baglihar project)
গত মাসে কাশ্মীরে এক সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হন (Salal and Baglihar project)। ভারত দাবি করে, হামলাকারীদের মধ্যে দু’জন পাকিস্তানি নাগরিক। এই ঘটনার পর ভারত ইন্দাস জলচুক্তি স্থগিত করে। পাকিস্তান এই সিদ্ধান্তকে যুদ্ধের হুমকি হিসেবে দেখছে এবং আন্তর্জাতিক আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আরও পড়ুন: Impersonating Army Major: কর্নেল পরিচয়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি! গ্রেফতার প্রতারক
জলচুক্তির ভবিষ্যৎ ও অঞ্চলের স্থিতিশীলতা
ইন্দাস জলচুক্তি ১৯৬০ সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং এটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে জলবন্টনের একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি। এই চুক্তি অনুযায়ী, ভারত পূর্বের তিনটি নদীর নিয়ন্ত্রণ পায় এবং পাকিস্তান পশ্চিমের তিনটি নদীর উপর নির্ভর করে। চুক্তি স্থগিতের ফলে পাকিস্তানের কৃষি ও জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রভাব পড়তে পারে।
ভারতের অবস্থান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
ভারতের জলসম্পদ মন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে, ইন্দাস নদীর একটি ফোঁটাও পাকিস্তানে যেতে দেওয়া হবে না। সরকারের মতে, চুক্তি স্থগিতের ফলে ভারত এখন তার জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা স্বাধীনভাবে পরিচালনা করতে পারবে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ভারতের বর্তমান পরিকাঠামো পাকিস্তানের জলপ্রবাহ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করার জন্য যথেষ্ট নয়।
আরও পড়ুন: Jammu and Kashmir Terror Attack : কাশ্মীরের জেলগুলিতে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা, সতর্কতা জারি করল সিআইএসএফ
নতুন অধ্যায়
ভারতের এই পদক্ষেপ দক্ষিণ এশিয়ার জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এই পরিস্থিতি ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উপর কী প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলবে।


