Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চলন্ত ট্রেনে পাথর ছোড়ার ঘটনা রুখতে একাধিক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে রেল কর্তৃপক্ষ(Indian Railway)। যাত্রী নিরাপত্তা ও রেল সম্পত্তি রক্ষায় এবার প্রযুক্তির পাশাপাশি সচেতনতার উপর জোর দিচ্ছে আরপিএফ। খড়গপুর ডিভিশনের বিভিন্ন শাখায় চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা কমাতে শুরু হয়েছে বিশেষ নজরদারি ব্যবস্থা। রেল সূত্রে দাবি, এই উদ্যোগের জেরে সাম্প্রতিক সময়ে এমন ঘটনার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
ধরা পড়লে কড়া ব্যবস্থা(Indian Railway)
রেল(Indian Railway) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাথর নিক্ষেপের ঘটনার সঙ্গে বহু ক্ষেত্রেই নাবালক ও কিশোররা যুক্ত থাকে। খেলাচ্ছলে এই ধরনের বিপজ্জনক কাজ করলেও এর ফলে ট্রেনের জানালার কাচ ভাঙা থেকে শুরু করে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। ধরা পড়লে নাবালকদের আদালতে পেশ করা হয় এবং অভিভাবকদের উপস্থিতিতে মুচলেকা নিয়ে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে এমন কাজ করলে অভিভাবকদের দায়ী করা হবে বলেও আদালতের নির্দেশ থাকে।

একাধিক আইনি পদক্ষেপ রেল কর্তৃপক্ষের(Indian Railway)
গত এক বছরে খড়গপুর ডিভিশনে এই ধরনের ঘটনায় মোট ২৬টি মামলা দায়ের হয়েছে এবং ৩২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরপিএফের সিনিয়র সিকিউরিটি কমিশনার প্রকাশ কুমার পান্ডা জানান, ”চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ রেলের আইনের ১৫৩ ধারায় অপরাধ, যার শাস্তি সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড। পাশাপাশি ‘অপারেশন জন জাগুরকতা’ কর্মসূচির মাধ্যমে রেলের কর্মীরা গ্রামে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিযুক্তদের পরিবারকে সচেতন করছেন।”

আরও পড়ুন: Suvendu Adhikari : চন্দ্রকোনায় শুভেন্দুর কনভয়ে হামলা, CRPF-রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের
প্রযুক্তিগত নজরদারিতে বড় পদক্ষেপ
প্রযুক্তিগত নজরদারিতে বড় পদক্ষেপ হিসেবে খড়গপুর ডিভিশনে বসানো হয়েছে সৌরশক্তি নির্ভর ক্যামেরা। গত দু’মাসে মোট ১০টি সোলার ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে সেই সব এলাকায়, যেখানে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা বেশি ঘটত। টিকিয়াপাড়া, উলুবেড়িয়া-বাগনান, খড়গপুর ইয়ার্ড, ঘাটশিলা-গালুডি এবং বালেশ্বরের আগে এই ক্যামেরা বসানো হয়েছে। আরপিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোলার ক্যামেরা বসানোর পর সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা কার্যত বন্ধ। ইতিমধ্যেই ক্যামেরার ফুটেজ থেকে দু’টি ঘটনার অভিযুক্তদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে ভবিষ্যতে আরও এলাকায় সোলার ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষের মতে, প্রযুক্তি ও সচেতনতার সমন্বয়ই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান।
আরও পড়ুন: ASHA Workers Protest: ডেকে পাঠানো হয়েছে তাদের, তাও আশাকর্মীদের অভিযানে বাধা!


