Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-র তোলা অভিযোগের শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ সামনে এসেছে(IPAC Case)। রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আই-প্যাক (I-PAC)-এর দফতরে তল্লাশি চালানোর সময় রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপের অভিযোগে এই মামলা দায়ের করেছে ইডি।
রাজ্যকে সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্ন (IPAC Case)
শুনানির সময় আদালত প্রশ্ন তোলে যদি কেন্দ্রে একটি সরকার ক্ষমতায় থাকে এবং রাজ্যে অন্য একটি দল একই ধরনের পদক্ষেপ নেয়, তাহলে পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে? বিচারপতি পি কে মিশ্র এবং এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ ইডি-র পক্ষ থেকে দায়ের করা আর্টিকেল ৩২-এর অধীনে আবেদনটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আপত্তি খতিয়ে দেখে।
‘অফিসারদের মৌলিক অধিকার নিয়ে ভাবুন’
আদালত বিশেষভাবে উল্লেখ করে, ইডি-র কিছু আধিকারিক ব্যক্তিগতভাবেও আবেদন করেছেন। বিচারপতি মিশ্র বলেন, “ইডি-র অফিসাররা কি শুধু অফিসার হওয়ার কারণে ভারতীয় নাগরিক থাকা বন্ধ করে দেন?” তিনি আরও বলেন, “অফিসারদের মৌলিক অধিকার নিয়ে ভাবুন, নাহলে মূল বিষয়টি মিস করবেন।”
‘তদন্ত করা আইনি ক্ষমতা’ (IPAC Case)
অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষে সওয়াল করে প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল যুক্তি দেন, তদন্তে বাধা পড়া কোনও মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন নয়। তাঁর মতে, “একজন পুলিশ অফিসারকে বাধা দিলে তিনি সরাসরি আর্টিকেল ৩২-এ আবেদন করতে পারেন না। এর জন্য আইনি প্রতিকার রয়েছে।” তিনি আরও বলেন, তদন্ত করা একটি সাংবিধানিক অধিকার নয়, বরং এটি একটি আইনি ক্ষমতা।
আরও পড়ুন:Harish Death: অবশেষে চিরশান্তির দেশে হরিশ রাণা: দেশের প্রথম প্যাসিভ ইউথানেশিয়ায় মৃত্যু
শুনানি স্থগিত রাখার প্রস্তাব খারিজ (IPAC Case)
তবে আদালত এই যুক্তি পুরোপুরি মেনে নেয়নি এবং ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অফিসারদের অধিকারের দিকটি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে বলেছে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের কারণে শুনানি স্থগিত রাখার প্রস্তাবও খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি মিশ্র স্পষ্ট বলেন, “আমরা নির্বাচনের অংশ হতে চাই না, আবার কোনও অপরাধেরও অংশ হতে চাই না।” মামলার পরবর্তী শুনানি ১৪ এপ্রিল।



