Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে সাম্প্রতিকের সবচেয়ে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে দাবি উঠেছে। ইরান ইন্টারন্যাশনালকে দেওয়া দেশটির সরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ১২ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন(Iran)। এর বড় একটি অংশকে হত্যা করা হয় ৮ ও ৯ জানুয়ারি, যখন দেশজুড়ে কার্যত সম্পূর্ণ ইন্টারনেট ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ ছিল।
নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে ১২ হাজার (Iran)
মঙ্গলবার ইরান থেকে ধীরে ধীরে তথ্য বেরোতে শুরু করলে স্পষ্ট হচ্ছে, গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা বিক্ষোভ দমনে প্রাণহানির সংখ্যা বিদেশে থাকা মানবাধিকারকর্মীরা যে হিসাব দিচ্ছিলেন, তা বাস্তবে আরও অনেক বেশি হতে পারে। কিছু ফোনলাইন আংশিকভাবে সচল হওয়ায়, ইরানের ভিতর ও বাইরে থাকা দুটি সূত্র জানিয়েছে নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে ১২ হাজার, যা ২০ হাজার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা নির্ধারণ করা অত্যন্ত কঠিন (Iran)
এদিকে ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপার সংসদে বলেন, সরকারের ধারণা অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা অন্তত ২ হাজার ছাড়িয়েছে এবং তার আশঙ্কা, চূড়ান্ত সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে। তবে প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা নির্ধারণ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে, কারণ ইরানের কট্টর শাসকগোষ্ঠী টানা পাঁচ দিন ধরে ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ রেখেছিল। যদিও মঙ্গলবার কিছু মানুষ বিদেশে ফোন করতে পেরেছেন, তবু ইরানের ভিতরে কল করা এখনও সম্ভব হয়নি।
আহতদের নাম-ঠিকানা দিতে হুমকি (Iran)
এক অভ্যন্তরীণ সূত্র জানিয়েছে, বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎসা সূত্রের তথ্য সংগ্রহ করে কর্মীরা যে হিসাব করছেন, তাতে নিহতের সংখ্যা ১২ হাজারের কম নয়। ওই সূত্রের দাবি, নিরাপত্তা বাহিনী তেহরানের বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে গিয়ে বিক্ষোভে আহতদের নাম-ঠিকানা দিতে চিকিৎসকদের হুমকি দিচ্ছে। অন্যদিকে, ইরানি কর্মকর্তারা এ বিষয়ে নীরব। রয়টার্সের উদ্ধৃতিতে এক ইরানি কর্মকর্তা দাবি করেছেন, নিহতের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার এবং সন্ত্রাসের জন্য ‘বিদেশ-প্রভাবিত সন্ত্রাসীদের’ দায়ী করেছেন।
আরও পড়ুন: Bank of Maharashtra: ডাউন মার্কেটেও এই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শেয়ার দরে বৃদ্ধি
মর্গে লাশের স্তূপ (Iran)
এই পরিস্থিতিতে আরও আতঙ্ক ছড়িয়েছে একটি ভিডিও। সিবিএস নিউজ যাচাই করা ওই ভিডিওতে তেহরানের উপকণ্ঠের একটি মর্গে অন্তত ৩৬৬টি, সম্ভবত ৪০০-এর বেশি লাশ স্তূপ করে রাখা দেখা যায়। মৃতদের শরীরে গুলির ক্ষত, শটগানের ‘বার্ডশট’ আঘাত এবং গুরুতর জখমের চিহ্ন স্পষ্ট, যা দমন-পীড়নের ভয়াবহতার এক নির্মম ছবি তুলে ধরেছে।



