Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রথমবার রঞ্জির ফাইনালেই উঠেই খেতাব জয় জম্মু-কাশ্মীরের (Ranji Trophy Final)।
রঞ্জির খেতাব জয় জম্মু-কাশ্মীরের (Ranji Trophy Final)
রঞ্জির এবারের মরশুমে প্রথম থেকেই ছন্দে ছিল জম্মু-কাশ্মীর দল। ৬৭ বছরে প্রথমবার রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে উঠেই খেতাব নিজেদের নামে করে নিলো আকিব নবি, পরশ ডোগরারা। ফাইনালে প্রতিপক্ষ ছিল শক্তিশালী কর্ণাটক কিন্তু তাদের একবারের জন্য ম্যাচে ফিরতেই দেয়নি জম্মু। প্রথম থেকেই ম্যাচের রাশ ছিল জম্মু-কাশ্মীরের হাতেই। রাজ্যের এই ঐতিহাসিক সাফল্যের সাক্ষী থাকতে এদিন মাঠে উপস্থিত ছিলেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাও (Ranji Trophy Final)।
চলতি মরশুমের রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে প্রথমবারের মতো খেতাব জিতল পরশ ডোগরার দল। এদিন ম্যাচের পঞ্চম দিনের দ্বিতীয় সেশনে অধিনায়ক পরশ ডোগরা ইনিংস ডিক্লেয়ার করার সঙ্গে সঙ্গেই কর্ণাটক জানিয়ে দেয় তারাও আর খেলবে না আর তারপরেই ম্যাচ ড্র ঘোষণা করা হয়। প্রথম ইনিংসে বিশাল রানের লিডের ভিত্তিতে চ্যাম্পিয়ন হয় জম্মু ও কাশ্মীর। ম্যাচ জেতার পর থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে উচ্ছ্বাস। ফাইনালের পঞ্চম দিনের দ্বিতীয় সেশন চলাকালীনই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল যে ঐতিহাসিক জয় পেতে চলেছেন পরশ ডোগরারা।

ওপেনার কামরান ইকবাল দিনের প্রথম সেশনেই দুর্দান্ত শতরান করেন। অন্যদিকে মিডল অর্ডারের ব্যাটার সাহিল লোত্রা ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় অর্ধশতরান করে শতরানের দোরগোড়ায় পৌঁছে যান। দিনের দ্বিতীয় সেশনে শতরান পূর্ণ করেন তিনিও। তারপরেই ইনিংস ডিক্লেয়ার করেন জম্মু অধিনায়ক। দলের সতীর্থদের পাশাপাশি মাঠে উপস্থিত হয়ে জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাও ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সে উঠে দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানান।

রঞ্জি ফাইনালে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় জম্মু ও কাশ্মীর। তারা প্রথম ইনিংসে ৫৮৪ রান তোলে। দলের হয়ে শতরান করেন শুভম পুন্ডির (১২১)। জবাবে কর্ণাটক ক্রিকেট দলকে ২৯৩ রানে গুটিয়ে দেয় চ্যাম্পিয়ন দল। রঞ্জির চলতি মরশুমে বাকি ম্যাচের মতোই ফাইনালেও পেসার আকিব নবি পাঁচ উইকেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। নবির এই পারফরম্যান্সের পর সৌরভও তাঁর প্রশংসা করে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার বিষয়ে সরব হন। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দেন জাতীয় দলের নির্বাচকদের উদ্দেশ্যে (Ranji Trophy Final)।
কর্ণাটকের হয়ে একমাত্র বড় ইনিংস খেলেন অভিজ্ঞ ময়াঙ্ক আগরওয়াল। তিনি ১৬০ রান করেন। প্রথম ইনিংসে ২৯১ রানের লিড পাওয়ার পরই রঞ্জি জয় কার্যত সময়ের অপেক্ষা ছিল। দ্বিতীয় ইনিংসেও দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে সেই লিড পৌঁছে যায় প্রায় ৬০০-র কাছাকাছি। এই বিশাল সংখ্যক রানই কার্যত জয়ের পথ তৈরি করে দেয়। এরপর ছিল শুধু সময়ের অপেক্ষা। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ ড্র হলেও প্রথম ইনিংসের বিশাল ব্যবধানের জেরেই ইতিহাস গড়ে রঞ্জি ট্রফি জিতে নেয় জম্মু ও কাশ্মীর।
আরও পড়ুন: US Iran: ইরানে সামরিক অভিযান আমেরিকার, আত্মসমর্পণের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
জম্মু-কাশ্মীরের এই জয়ে তাঁদের অভিবাদন জানিয়েছেন আইসিসি প্রেসিডেন্ট জয় শাহও। তিনি লিখেছেন, ‘ঐতিহাসিক জয়ের জন্য জম্মু ও কাশ্মীরকে অনেক অভিনন্দন। তবে এই জয়ের পিছনে শুধু ক্রিকেটার নয়, গোটা মরশুম জুড়ে যাঁরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন সেই কোচিং স্টাফ এবং টিম ম্য়ানেজমেন্টের কথান ভুললেও চলবে না (Ranji Trophy Final)।’


