Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল : উপরাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে প্রার্থী হতে গিয়ে বড়সড় জালিয়াতির অভিযোগে ধরা পড়লেন কেরলের বাসিন্দা জোমন জোসেফ(Vice President Election)। নিয়ম অনুযায়ী মনোনয়ন জমা দিতে হলে প্রার্থীর সমর্থনে লোকসভা ও রাজ্যসভার কিছু সাংসদের স্বাক্ষর প্রয়োজন। কিন্তু জোসেফ ২২ জন সাংসদের নামে জাল স্বাক্ষর ব্যবহার করে মনোনয়ন জমা দেন। যাচাই-বাছাইয়ের সময়ই নির্বাচন কমিশনের নজরে আসে এই অসঙ্গতি। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
যাচাই-বাছাইয়ে ধরা পড়ে কেলেঙ্কারি (Vice President Election)
গত ২১ অগস্ট মনোনয়নপত্র খতিয়ে দেখার সময় প্রথম সন্দেহ হয় কমিশনের আধিকারিকদের(Vice President Election)। সাংসদদের তালিকা মেলাতে গিয়েই বোঝা যায়, নাম ব্যবহার হলেও তাঁদের স্বাক্ষর আসল নয়। যেসব সাংসদের নাম দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কেউই বিষয়টি সম্পর্কে জানেন না। এর পরই নিশ্চিত হয় কমিশন যে স্বাক্ষর জাল করে মনোনয়ন জমা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ (Vice President Election)
এবার উপরাষ্ট্রপতি পদে লড়াইয়ের জন্য ৪৬ জন প্রার্থী মিলে মোট ৬৮টি মনোনয়ন জমা দেন। প্রাথমিক পর্যায়ে ১৯ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়। পরে ২২ অগস্ট দ্বিতীয় দফায় বাকি প্রার্থীদের কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। শেষ পর্যন্ত এনডিএ প্রার্থী সিপি রাধাকৃষ্ণন এবং বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’-র প্রার্থী বি সুদর্শন রেড্ডির মনোনয়ন বৈধ বলে গৃহীত হয়।

ধনখড়ের পদত্যাগের পর নতুন নির্বাচন (Vice President Election)
গত ২১ জুলাই রাতেই হঠাৎ স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ দেখিয়ে উপরাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন(Jagdeep Dhankhar) জগদীপ ধনখড়(Vice President Election)। পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তাঁর পদত্যাগে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়। তাঁর শারীরিক সমস্যার গুরুতরতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। পরের দিনই তাঁর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করা হয়। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর নতুন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। ওই দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে ধনখড়ের উত্তরসূরির নাম ঘোষণা করা হবে।

রাজনৈতিক মহলে শোরগোল (Vice President Election)
জোসেফের জালিয়াতি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এত বড় সাংবিধানিক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে এ ধরনের ঘটনা একদিকে যেমন আইনত দণ্ডনীয়, অন্যদিকে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচন কমিশন যদি শুরুতেই কঠোর পদক্ষেপ না নিত, তবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হতে পারত।


